বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত সপ্তাহে ধানমন্ডি লেকের পাশে হাঁটার পথের জায়গা দখলমুক্ত করার সময় গাইবান্ধা-৪ আসনের সাংসদ মনোয়ার হোসেন চৌধুরীর বাসভবনের সীমানাপ্রাচীর ভাঙা পড়ে। তখন তিনি গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেন, তাঁদের দখলে থাকা ১৭ দশমিক ৯ শতক জমি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পেয়েছেন তাঁর শ্বশুর। সরকারি সংস্থার কাছ থেকে তাঁর শ্বশুর এ জমি ১৯৫৮ সালে বরাদ্দ পান। বর্তমানে এর মালিক তাঁর শশুরের দুই মেয়ে। সাংসদ এ জমির ওপর গড়ে তোলা ভবনে থাকেন।
উচ্ছেদের আগে নোটিশ দেওয়া হয়নি—সাংসদের এমন অভিযোগের বিষয়ে দক্ষিণ সিটির মেয়র বলেন, ‘আমাদের কর্মকর্তারা উনার দেখানো কাগজপত্র দেখেছেন। সব কাগজ যাচাই-বাছাই করে উচ্ছেদ কার্যক্রমে গিয়েছি। আমাদের উচ্ছেদ কার্যক্রম সঠিক হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে মেয়র আরও বলেন, ‘উনি (সাংসদ) যে কাগজ দেখিয়েছেন, উনার বরাদ্দ ১৫ কাঠা। ওই ১৫ কাঠা উনার দখলে আছে। বাকি ২ কাঠা ৯ শতকের যে কাগজপত্র দেখিয়েছেন, তার কোনো ভিত্তি নেই।’

ফজলে নূর তাপস বলেন, মেয়রের দায়িত্ব নেওয়ার পর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের কঠোর বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি বর্তমান উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

সম্প্রতি ধানমন্ডি লেকের যে অংশে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে, সে অংশ আগে দখলমুক্ত করা যায়নি জানিয়ে মেয়র বলেন, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা জায়গা দখল করে রেখেছিল। সেগুলোই দখলমুক্ত করা হচ্ছে।

আধুনিকায়ন হচ্ছে ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থাপনা

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মেয়র জানান, রাজধানীর ট্রাফিক সিগন্যালগুলো আধুনিকায়ন করার কার্যক্রম তিনি হাতে নিয়েছেন। এরই মধ্যে ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অচিরেই আমরা নতুন ব্যবস্থাপনা চালু করব।’

আবার শুরু খাল পরিষ্কার কার্যক্রম

ওয়াসার কাছ থেকে খাল, নালা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পাওয়ার পর গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে খাল পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়েছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি। ‌গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে মেয়র জানিয়েছেন,‌ আগামী ১ জানুয়ারি থেকে যেসব খাল বর্জ্যে আবদ্ধ হয়ে আছে, সেগুলো পরিষ্কার করার কার্যক্রম শুরু হবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন