বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অবস্থান করছিলেন। ক্যাম্পাস থেকে মাঠের উদ্দেশে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টাও করে।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন।

মিছিলটি নিয়ে শিক্ষার্থীরা ধূপখোলা খেলার মাঠে যান। এর আগে মিছিলটি লক্ষ্মীবাজারে সুভাষ বোস অ্যাভিনিউতে পৌঁছালে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। ধূপখোলা খেলার মাঠে পৌঁছে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থাপনার নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন।

মাঠের খননকাজে অংশ নেওয়া খননযন্ত্র ও ট্রাকের চাবি ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন।
মাঠে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা স্থানীয় ব্যক্তিদেরও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই এত দিন স্থানীয় ব্যক্তিরা খেলাধুলার সুযোগ পেয়েছেন। করপোরেশন মার্কেট ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করলে স্থানীয় ব্যক্তিরা আগের মতো খেলার সুযোগ পাবেন না। সিটি করপোরেশনের দখলে মাঠ থাকবে। সেখানে শুধু অন্যরা খেলবে। আর স্থানীয় ব্যক্তিদের বসে বসে খেলা দেখতে হবে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম শুধু খেলা দেখেই যেতে হবে।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশ চলাকালে স্থানীয় ব্যক্তিদের সরিয়ে দিতে দেখা যায় পুলিশ সদস্যদের।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সহসভাপতি সুমায়া সুমা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এখন বাড়িতে অবস্থান করছেন। আর এই সুযোগে সিটি করপোরেশন রাতের বেলায় মাঠে মার্কেট নির্মাণ করতে বসেছে। শিক্ষার্থী ও স্থানীয় ব্যক্তিরা খেলাবিমুখ হলে মাদক ও অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়বে। এ দায় পরে কে নেবে?

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, ‘করোনায় দীর্ঘ বন্ধের পর আমাদের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এখন কেন আমাদের আন্দোলন করতে হবে। সিটি করপোরেশন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় ব্যক্তিদের খেলাধুলার সুযোগ দিতে চায় না। খেলাধুলার সুযোগ দিতে চাইলে মার্কেট নির্মাণ করত না।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন