default-image

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, আহত মুরসালিন লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তাঁর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।

পুলিশ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া আরও বলেন, এখনো দুই শিক্ষার্থী ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন।

মুরসালিনের বড় ভাই নুর মোহাম্মদ বলেন, মুরসালিন কামরাঙ্গীরচরে পশ্চিম রসুলপুরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে। তাঁর স্ত্রীর নাম মিতু আক্তার। মুরসালিনের বাড়ি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার বাতাকান্দি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো. মানিক।

এর আগে গত মঙ্গলবার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় মারা যান নাহিদ। তিনি ডি-লিংক নামে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের ‘ডেলিভারিম্যান’ ছিলেন। নাহিদের বাসাও রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের রনি মার্কেটের মেম্বার গলিতে। ওই দিন সকাল ১০টায় কর্মস্থলের উদ্দেশে ঘর থেকে বের হয়েছিলেন তিনি। দুপুরে নিউমার্কেট এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে মাথায় আঘাত পান নাহিদ। রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিউমার্কেট এলাকায় গত সোমবার রাতের পর মঙ্গলবারও দিনভর সংঘর্ষ হয়। দিনভর পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ চলে। সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়ে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলায় আহত হন অন্তত ১২ জন সাংবাদিক।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন