খবর পেয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার শরিফ ফারুকুজ্জামানের নেতৃত্বে নিউমার্কেট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করে। ধাওয়া খেয়ে শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের ক্যাম্পাসের ভেতরে চলে যান।

হামলার প্রতিবাদে রাত নয়টার পর ইসমাইল ম্যানশন ও চিশতিয়া মার্কেটের ব্যবসায়ীরা মার্কেটের সামনের মিরপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেন। এক ঘণ্টা এ অবস্থা চলার পর রাস্তার দুই দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। রাত ১০টার দিকে পুলিশ বুঝিয়ে ব্যবসায়ীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ইসমাইল ম্যানশন মার্কেটের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম বলেন, ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা কেন হামলা চালালেন, সে বিষয়ে তাঁরা এখনো নিশ্চিত হতে পারছেন না।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ঢাকা কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী লাঠিসোঁটা হাতে অতর্কিতে মার্কেটে হামলা চালান। এ সময় ব্যবসায়ীরা এসে হামলার কারণ জানতে চাইলে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা অন্তত পাঁচ ব্যবসায়ীকে মারধর করেন।

পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার শরিফ ফারুকুজ্জামান বুধবার রাত ১১টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, পরিস্থিতি এখন শান্ত। থানায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, মার্কেটে ঢাকা কলেজের কোনো ছাত্রের কেনাকাটা নিয়ে বচসার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন