বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুজনের এসএসসি পরীক্ষা চলছিল। এরই মধ্যে তারা জানতে পারে, বাবা অসুস্থ। বাসার কাউকে কিছু না জানিয়ে তারা যশোরে যায়। আমরা ভিডিও কলে তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের চাচাদের সঙ্গেও আমাদের কথা হয়েছে। ভিডিও কলে তারা তাদের খালার সঙ্গেও কথা বলেছে। এখন আমরা নিশ্চিত হয়েছি, তারা নিখোঁজ হয়নি।’

খালাকে বিষয়টি তারা জানায়নি কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব-২–এর অধিনায়ক বলেন, ‘কেন তারা জানায়নি, তা আমরা জানতে পারিনি। এ বিষয়ে তাদের জিজ্ঞাসা করব। আমরা প্রথম থেকেই তাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলাম। কারণ, এই বয়সে অনেক তরুণী টিকটকের ফাঁদে পড়ে ঘর ছাড়ছেন। তারা এমন কোনো ফাঁদে পড়েছে কি না, সেই বিষয়টিই গুরুত্ব দিচ্ছিলাম। তবে এখন আমরা নিশ্চিত, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

এদিকে তিন বোন নিখোঁজের পর গতকাল আদাবর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাদের খালা সাজিয়া নওরীন। জিডির তথ্য অনুযায়ী, ‘নিখোঁজ’ তিন বোনের বয়স ১৬ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে দুজন এসএসসি পরীক্ষার্থী। গতকাল বেলা ১১টার দিকে তারা বাসা থেকে বের হয়।

সাজিয়া নওরীন বলেন, তিনজনই তাঁর বড় বোনের মেয়ে। তিন বছর আগে তাঁর বড় বোন মারা যান। বড় বোনের স্বামী পরে আবার বিয়ে করেন। ওই তিন বোন খিলগাঁওয়ে তাদের আরেক খালার বাসায় থাকে। তবে এসএসসি পরীক্ষার্থী দুই বোনের পরীক্ষাকেন্দ্র ধানমন্ডি গার্লস হাইস্কুল হওয়ায় তারা সবাই তাঁর আদাবরের বাসায় অবস্থান করছিল।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন