বিজ্ঞাপন

সংবিধানের আলোকে মিডিয়া আইন সংস্কারে একটি কমিশন করার কথা বলেন মিজানুর রহমান খান। তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল বা সংশোধন করলেই সংকট মিটবে না। সংবাদক্ষেত্রকে সংকুচিত করে, এমন অনেক কঠোর আইন ছড়িয়ে–ছিটিয়ে রয়েছে। সেগুলো বিলোপেও মনোযোগ দিতে হবে। মিডিয়ার তরফেও একটি নৈতিক গাইডলাইন করতে উদ্যোগ নিতে হবে।

প্রবন্ধে মিজানুর রহমান খান বলেন, সাংবাদিকতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি অনেক হুমকি রয়েছে। মিডিয়াকে স্বশাসন ও নিজেদের জবাবদিহি বাড়াতে হবে। তাহলে রাষ্ট্রের সঙ্গে মিডিয়ার দর–কষাকষি বাড়বে। সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার পথও প্রশস্ত হবে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী মো. মুরাদ হাসান বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অনেক বিচার–বিশ্লেষণ করে করা হয়েছে। সরকার সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রশ্নে সহযোগিতার মানসিকতা পোষণ করে। প্রতিবন্ধকতা তৈরির মানসিকতা সরকারের নেই।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব শাবান মাহমুদ বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে পেশাগত ঐক্য থাকলে সংগঠনগতভাবে আরও শক্তিশালী হওয়া যেত। সাংবাদিকদের পেশাদারত্ব থাকলে কোনো আইন বাধা হতে পারে না।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা একসঙ্গে চলতে পারে না। বিচারহীনতার কারণে সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন, হামলার বিচার হয় না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে তথ্য, আইন, শ্রম মন্ত্রণালয়সহ একটি সেমিনার হওয়া দরকার বলে জানান ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ।

ডিআরইউর সাবেক সভাপতি ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সেলিম সামাদ, ডিআরইউর সভাপতি রফিকুল ইসলাম, আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাসিমা খান প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন