default-image

সাহ্‌রির সময় খবর এল আরমানিটোলা জ্বলছে, শুক্রবার ভোররাতে। পরে জানা গেল, মৃতের সংখ্যা ছিল ৪। হাসপাতালে জীবনসংকটে আরও কয়েকজন। আজ রোববার এই লেখা প্রকাশ হতে হতে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়লে চমকানোর কিছু থাকবে না। পুলিশ জানিয়েছে, আগুন লাগা ভবনের নিচতলার বিপণিবিতানে ১৬ থেকে ২০টি দোকান রয়েছে। তাদের ধারণা, এসব দোকানে রাসায়নিক কেনাবেচা হতো। কোনো একটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

অবশ্য ফায়ার সার্ভিসের লোকজন নিছক ধারণার ওপর নির্ভর করে কিছুতেই ফাঁস-বেফাঁসের দড়িতে ঝুলতে রাজি হননি। তাঁদের মতো ঢাকা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও আগুনের সূত্রপাত নিয়ে সুস্পষ্ট করে কিছু বলেননি। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক সাংবাদিকদের বলেছেন, কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা তদন্ত করে দেখা হবে। তাঁরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

দেশে এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চার থেকে আটটি সরকারি-বেসরকারি তদন্ত কমিটি গঠনের নজির আছে। ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কথা থেকে অনুমান করা যায়, অবিলম্বে শিল্প মন্ত্রণালয় দৃশ্যপটে আবির্ভূত হবে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের একটি দল ঘটনাস্থলে যাবে। তারা পরীক্ষা করে দেখবে রাসায়নিক থেকে আগুন লেগেছে কি না এবং ভবনের দোকানগুলোতে এ ধরনের পদার্থ আছে কি না। আগুন লাগার আর কোনো ঝুঁকি আছে কি না।

পাঠকের মনে আছে পুরান ঢাকার নিমতলী (জুন, ২০১০) থেকে আগুনের গাড়ি চকবাজার (ফেব্রুয়ারি, ২০১৯) আসতে সময় লেগেছিল প্রায় ৯ বছর। নিমতলীর আগুনের পর গঠিত তদন্ত কমিটির বিশেষজ্ঞরা যে ১৭টি সুপারিশ পেশ করেছিলেন, সেগুলোর প্রথমেই ছিল বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের গুদাম ও কারখানাগুলো সরিয়ে নেওয়া। বাকি ১৬টি সুপারিশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব ছিল শিল্প মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ওপর। বলা বাহুল্য, ‘সাত মণ ঘিও জোটেনি, রাধাও নাচেনি’। বাকি আছে সুপারিশ বাস্তবায়নে ব্যর্থতার তদন্ত। সেটাও হয়তো হবে একদিন। কবে হবে, জবাবদিহির করে সুবাতাস বইবে, তা জানা নেই।

বিজ্ঞাপন

স্থানান্তর কি আসলেই কোনো সমাধান

প্রশ্নটা সেই অর্বাচীন বালকের মতো হয়ে গেল, যার খোঁজ দিয়েছিলেন কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাঁর ‘উলঙ্গ রাজা’ কবিতায়। বালকসুলভ এই প্রশ্নের জবাব আমাদের, মানে পরিবেশজীবী বিশেষজ্ঞদের কাছে আছে কি? নাকি বোকা বালকের প্রশ্ন বলে আমলেই নেব না। আমরা এর আগে ট্যানারি স্থানান্তর করেছি, বুড়িগঙ্গা রক্ষা পেয়েছে কি? নাকি বুড়িগঙ্গার চাপ ধলেশ্বরীতে পড়েছে? কাঁচা চামড়া বেশুমার বেহাত হয়ে চলে যাচ্ছে অন্য কোথাও। এতিমদের হকে পড়েছে থাবা।

রাজধানীর গুলিস্তানের যান জঞ্জাল দূর করতে এক জায়গায় চারটি বাসস্ট্যান্ড করেছি। এতে ঠিকাদার বা কন্ট্রাক্টরদের লাভ হয়েছে, তৈরি হয়েছে চাঁদাবাজির নতুন ঠিকানা, কিন্তু গুলিস্তানের যান জঞ্জাল ‘খাড়া বড়ি থোড়, থোড় বড়ি খাড়ায়’ থেকে গেছে।

রাসায়নিক গুদাম ১০-১১ বছরে স্থানান্তর না হওয়ার পেছনে কি শুধুই আমলা আর কামলাতান্ত্রিক জটিলতা? প্রশ্ন উঠেছে ‘কবি’ রাসায়নিক পদার্থ ‘বলিতে কী বুঝাইয়াছেন’ অথবা কী বুঝেছেন? আমাদের কোন দোকানে দাহ্য পদার্থ রাসায়নিক পদার্থ বিক্রি হয় না? পুরান ঢাকায় ছাপাখানার জন্য যাঁরা কাগজের পসরা সাজিয়ে বসেছেন, তাঁরা ছাপাখানার কালিও বেচেন। এই কালি কি রাসায়নিক পদার্থ? নয়াবাজারের যে মুদি রং বেচেন, সোডা বেচেন, খুচরা বা পাইকারি—তারটাও কি রাসায়নিকের সংজ্ঞায় ধরা খাবে? পুরান ঢাকার এক রসিক ব্যবসায়ী এই প্রসঙ্গে রঙ্গ করে বললেন, ‘উড়লেই কি পাখি হয়। তেলাচোরারে কি পাখি কওন যায়?’

বিভিন্ন দাহ্য রাসায়নিকের পাশাপাশি গ্লিসারিন, আইকা, আতর, জুতার আঠা, জুতার কালি ইত্যাদি পুরান ঢাকায় বিক্রি হয়। প্রশ্নটা আসলে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার, নজরদারির। নিয়ম মানার। নিয়ম ভাঙার পথগুলো চেনার আর সেগুলো বন্ধের ঐকমত্য।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ বাংলাদেশের রাসায়নিক উপকরণের চাহিদা ও বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়ার খোঁজখবর রাখে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার রাসায়নিক পণ্য আমদানি করা হয়। আমদানির আগে গুদামের নকশা, আমদানি-রপ্তানির লাইসেন্স, অগ্নিনির্বাপণ সনদসহ অন্তত ১৫টি শর্ত পূরণ করতে হয়। এসব শর্ত অপূর্ণ রেখে কী করে এসব আসে আর গুদামজাত হয়? এসবের জন্যও নাকি ‘পার্টি’ আছে, তারাই সব করে দেয়।

সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনের জামানায় (৩ মার্চ, ২০১৯) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একটি দল রাসায়নিকের গুদাম উচ্ছেদ করতে বকশীবাজার এলাকায় গেলে সেখানে তারা বাধার মুখে পড়ে। উচ্ছেদকারীরা অফিসে ফিরে গিয়ে মেয়রকে ব্যবসায়ীদের আপত্তির কথা জানান। শেষ পর্যন্ত ঠিক হয় রাসায়নিক গুদামগুলো উচ্ছেদ নয়, এখন তাদের বিদ্যুৎ ও গ্যাস-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে। যেসব বাড়িতে রাসায়নিক গুদাম ও মানুষের বসতি একসঙ্গে রয়েছে, সেখানে শুধু গুদামগুলোর বিদ্যুৎ ও গ্যাস-সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে। সাঈদ খোকন তখন সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, যদি আগুন লাগে তাহলে সেটি যাতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে জন্য বিদ্যুৎ ও গ্যাস-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে।

সেই সময় বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সুলতানা রাজিয়া বলেছিলেন, রাসায়নিকের গুদামের কারণে পুরান ঢাকায় যে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। জীবন বাঁচানো জরুরি হয়ে গেছে। কিন্তু সুন্দরভাবে করতে হলে সেখানে যাঁরা ব্যবসায়ী আছেন, তাঁদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেই করতে হবে। জোর করে সবকিছু করা কঠিন হবে।

রাসায়নিক পল্লি ও অস্থায়ী গুদাম তৈরি করে পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিক ব্যবসা সরিয়ে নেওয়ার আলোচনা দিনের পর দিন ধরেই চলছে। সমাধান আলোর মুখ দেখে না।

বিজ্ঞাপন

আগুনে পোড়ে কম, ধোঁয়ায় মরে বেশি

নিমতলী, চুড়িহাট্টা, জাপান গার্ডেন, বনানী ও আরমানিটোলা—অগ্নিকাণ্ডের সব ঘটনাতেই বেশির ভাগ মানুষ মারা গেছেন ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে। নিমতলীর ঘটনার পর হাসপাতালের চিকিৎসকেরা ধোঁয়ায় শ্বাস বন্ধ হয়ে মৃত্যুর কথাই বলেছিলেন। চুড়িহাট্টায় অনেকে বেঁচে গিয়েছিলেন ছাদ খোলা থাকা অথবা পাশের বাড়ির ছাদে লাফিয়ে পড়ার সুযোগ থাকায়। এবার আরমানিটোলার ঘটনায় মানুষ টের পাওয়ার পর বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলেও ধোঁয়া ও আগুনের কারণে তা পারেননি বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস। তাঁরা ওপরের দিকে উঠতে থাকেন। তবে ভবনের ছাদ তালাবদ্ধ ছিল। ফলে কেউ ছাদে আশ্রয় নিতে পারেননি।

একই ঘটনা ঘটেছিল জাপান গার্ডেন সিটিতে (১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)। সেদিন রাত সোয়া ১০টার দিকে জাপান গার্ডেন সিটির ৬ নম্বর ভবনের ১১ তলায় আগুন লাগে। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট সেখানে ছুটে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা রাত সাড়ে ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। কিন্তু একই পরিবারের সাতজনের মর্মান্তিক মৃত্যু ঠেকাতে পারেননি, যার মধ্যে একজন নারী ও একটি শিশু। শুধু ছাদে ওঠার দরজাটা খোলা রাখলে এঁরা বেঁচে যেতেন। নিহত ব্যক্তিরা ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু দরজা বন্ধ থাকায় সিঁড়িতেই ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে সবাই মারা যান।

জাপান গার্ডেন সিটির অভিজ্ঞতার আলোকে নগর নিরাপত্তার কোতোয়ালরা ছাদের দরজা খোলা রাখার একটা চর্চায় গেলে আরমানিটোলার কয়েকটা প্রাণ হয়তো প্রাণ ভরে নিশ্বাস নিতে পারত। কেউ যদি তাদের এ কথাটা জানিয়ে দিত, ঘরভর্তি ধোঁয়ার হাত থেকে বাঁচতে সোজা হয়ে নয়, হেঁটে হামাগুড়ি দিয়ে বা ক্রোলিং করে বের হতে হয়। যদি বলে দিত, ধোঁয়া ওপরের দিকে থাকে, ফলে মেঝে থেকে কমপক্ষে এক ফুট উচ্চতা পর্যন্ত ধোঁয়ামুক্ত থাকে, তাহলে বেঘোরে মরতে হতো না। দরজার নিচ দিয়ে ধোঁয়া ঢুকতে দেখলে কাঁথা বা অন্য কিছু দিয়ে তা আটকে দিলে ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা না আসা পর্যন্ত হয়তো দমটা থাকত।

উদ্ধারের প্রধান বাধা গ্রিল

অন্যান্য বারের মতো এবারও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীদের উদ্ধারকাজে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায় নানা ছাদ আর ছন্দের গ্রিল। চোরের ভয়ে খাটের চারদিকে এখন গ্রিল লাগানোর জোগাড়। মলম পার্টিকে সামাল দিতে না পেরে আমরা অটোরিকশায় পর্যন্ত গ্রিল লাগিয়েছি। নিজের বাড়িকে বানিয়েছি গ্রিল দেওয়া জেলখানা।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জ্বলতে থাকা ভবনের বিভিন্ন তলায় আটকে থাকা মানুষেরা বারান্দা ও জানালা থেকে মুঠোফোনের আলো জ্বেলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। ক্রেন ব্যবহার করে তাঁদের কাছাকাছি যাওয়া গেলেও গ্রিল উদ্ধারের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। জানালার গ্রিল কেটে কেটে একে একে আটকে পড়া সবাইকে উদ্ধার করতে বেশ বেগ পেতে হয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের। আগুন নিয়ন্ত্রণে না থাকলে সে কাজ আরও দুরূহ হয়ে পড়ে।

আরমানিটোলার ঘটনায় ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে বিভিন্ন তলা থেকে ১৩-১৪ জনকে ক্রেন ব্যবহার করে বের করে আনেন উদ্ধারকর্মীরা। অগ্নিনিরাপত্তার জন্য বাড়ির নকশায় বারান্দা থাকাটা যে কত জরুরি, তা আবার প্রমাণ হলো আরমানিটোলায়।

নগরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি যত বিগড়াবে, গ্রিলের স্তর তত বাড়বে। আরমানিটোলা আর সিদ্দিকবাজারে সাবেক বাসিন্দা হিসেবে গ্রিল ছাড়া বাড়িতে দরজা-জানালা খুলে ঘুমানোর অভিজ্ঞতা এখন গল্পের মতো শোনাবে, তবু বলতে দ্বিধা নেই, সে রকম একটা শহর মহল্লা একদিন ছিল। উঁচু মই আর লম্বা ক্রেনের সঙ্গে সঙ্গে সমাজভিত্তিক নিরাপত্তার বাতাবরণ তৈরির বিষয়টিও নগর দুর্যোগ ব্যবস্থাপকদের ভাবতে হবে। গ্রিল বাস্তবতার নগরে বাঁচতে হলে বারান্দার গ্রিলের পুরোটা ঝালাই না করে একটা অংশ তালাবদ্ধ করে রাখা যেতে পারে, যাতে সহজে তালা খুলে বের হওয়া যায়।

উত্তর না দক্ষিণ, কে বেশি, কে কম নিরাপদ

অগ্নিনিরাপত্তার মাত্রা নিয়ে বিতর্ক আছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকা বেশি নিরাপদ, না দক্ষিণ? সমস্যা বিশ্লেষণ আর ব্যবস্থাপনা খাসলতের মধ্যে কোনো রকমফের না থাকায় বনানী ও জাপান গার্ডেনের মতো আরমানিটোলার ছাদে তালা ঝোলে। নগরীর দুই তল্লাটেই এখন একই নকশার বাড়িঘর উঠছে। ভবনের ফটকেও এখন ছাউনি থাকে, দরজা খুললেও যেখান দিয়ে ঢোকে না ফায়ার সার্ভিসের মই গাড়ি। নিমতলীর মতো আগুনে নয়, ধোঁয়ায় মানুষ মরে বনানীর ঝকঝকে দালানে। উদ্ধার সরঞ্জামের তালিকায় উত্তর ও দক্ষিণের ফায়ার সার্ভিসের কার্যালয়ে নাম আসে গ্রিল কাটারের।

কাজেই এই কূটতর্কে না জড়িয়ে ভাবতে হবে কীভাবে আমরা নাগরিকদের নিয়ে একটি নিরাপদ নগর গড়ে তুলতে পারি। সেখানে হয়তো উত্তরার সঙ্গে ইসলামপুর বা বনানীর সঙ্গে ফরাশগঞ্জের তফাত থাকবে। কিন্তু স্থানীয় সরকারকে নিয়ে বেসামরিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। ভুলে গেলে চলবে না, আমাদের ফায়ার সার্ভিসের একটা বড় কাজ হচ্ছে, পাড়ায়-মহল্লায় স্থানীয় তরুণদের নিয়ে বেসামরিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা।

আগুন নেভানোর চেয়ে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে আমাদের বেশি মনোযোগ দিতে হবে। এতে কেনাকাটা আর খরচাপাতির সুযোগ কম, তাই বুঝি এদিকে নজর কম। সদ্য প্রয়াত কবি শঙ্খ ঘোষের ভাষায়, ‘আমাদের চোখ খুলে দেখতে হবে।’

লেখক গবেষক nayeem5508 @gmail.com

বিজ্ঞাপন
রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন