বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে নয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কী পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে কিছু বলেনি সিআইডি।
গত ২৮ অক্টোবর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ নথি (ফাইল) কেবিনেট থেকে খোয়া যায়। নথিগুলোর মধ্যে ছিল স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও দপ্তরের ক্রয়সংক্রান্ত। ফাইল গায়েবের ঘটনায় উপসচিব নাদিয়া হায়দার শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

সিআইডির গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান প্রথম আলোকে বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফাইল গায়েবের ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। ফাইল গায়েবের রহস্য উদ্‌ঘাটনে ওই ৯ কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারও সিআইডি কার্যালয়ে আনা হতে পারে। তবে সিআইডি ওই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

সিআইডির একটি সূত্র জানিয়েছে, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের কোনো কোনো কর্মকর্তার দ্বন্দ্বের জের ধরেও ফাইলগুলো সরানো হয়ে থাকতে পারে। একই কারণে গত আগস্টেও একবার ফাইল গায়েবের ঘটনা ঘটেছিল। ঘটনাটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের হওয়ায় সরকারের সিদ্ধান্ত ছাড়া মামলা হচ্ছে না।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন