বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অর্পার মা রুপা আহমেদ বলেন, অর্পার বাবা তাঁদের সঙ্গে থাকেন না ও কোনো খরচও দেন না। অর্পার লেখাপড়ার খরচ দেন তাঁর এক খালা। অর্পার আজ তৃতীয় সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। তাঁর খালা টাকা পাঠাতে দেরি করছিলেন। এ কারণে অভিমান করে অর্পা আত্মহত্যা করেন।

অর্পার খালাতো ভাই মো. সবুজ বলেন, ‘সকালে অর্পার সঙ্গে ফোনে কথা হয়। তখন তাকে বলেছিলাম, টাকা পাঠাতে একটু দেরি হবে। তখন সে বলেছিল, আজ পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার শেষ দিন। তাকে আমি বুঝিয়ে বলেছি, এক-দুই দিন দেরি করে টাকা জমা দিলেও পরীক্ষা দিতে কোনো সমস্যা হবে না।’

মো. সবুজ বলেন, দুপুরে অর্পার মা ফোন করে জানান, অর্পা দরজা বন্ধ করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে ফাঁস দিয়েছেন। দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে রাখা হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন