গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন লেলিন শেখ, আশরাফুল ইসলাম, জিল্লুর রহমান খান ও সাইফুল ইসলাম শাওন। তাঁদের গ্রেপ্তারের পর চক্রের সদস্যদের ‘পাইলট’ ও ‘ইগল’ নামকরণের তথ্য ডিবির হাতে আসে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, চারজনকে গ্রেপ্তারের পর দুটি ছিনতাইয়ের ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটিত হয়েছে। দুটি ঘটনাই ঘটে পল্লবী থানা এলাকায়। প্রথমটিতে গত ডিসেম্বরে ১১ লাখ টাকা ছিনতাই হয়। অপরটিতে চলতি বছরের মার্চে ৪ লাখ টাকা ছিনতাই করা হয়।


এ কে এম হাফিজ আক্তার আরও বলেন, ছিনতাইয়ের প্রথম ঘটনায় আশরাফুল ছিলেন ‘পাইলট’ ও লেলিন শেখ ছিলেন ‘ইগল’। পরের ঘটনায় জিল্লুর ‘পাইলট’ ও শাওন ‘ইগল’ হিসেবে কাজ করেছিলেন। তিনি বলেন, তাঁদের কাছ থেকে ৩৪ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

default-image

ডিবির ভাষ্য, গ্রেপ্তার আশরাফুল বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়ালেখা শেষ করে ভালো বেতনে চাকরি করতেন। চাকরি করার সময় লেলিনের সঙ্গে পরিচয় হয়। তারপর আশরাফুল ছিনতাইকারী চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

এই চক্রের ছিনতাইয়ের কৌশল সম্পর্কে এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বের হওয়ার পর অনেকেই এই চক্রের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন। পরে সুযোগ বুঝে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেন। চক্রের সদস্যরা মিরপুর, পল্লবী, বনানী, গুলশান, ধানমন্ডি, আগারগাঁও ও তেজগাঁও এলাকায় শতাধিক ছিনতাই করেছেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন