বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার দুপুরে রাজধানী বাসাবোর কদমতলা এলাকায় একটি ভবন পরিদর্শনে গিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা এমন চিত্র দেখতে পান।
ভবন পরিদর্শন শেষে দক্ষিণ সিটির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সুয়ে মেন জো বলেন, গত জুন মাস থেকে আজকের দিন পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করছেন। এই সময়ে ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসের কাজ করছেন। কিন্তু নির্মাণাধীন এই ভবনে যে পরিমাণ লার্ভার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে, সেটা গত আড়াই মাসে দেখা যায়নি। এটা একেবারে অবিশ্বাস্য। তিনি আরও বলেন, দুটি পানির হাউসের (চৌবাচ্চা) মধ্যে কোটি কোটি লার্ভা এবং এটার ভেতর (হাউসগুলোর ভেতর) ধ্বংস করার জন্য যখন মশার ওষুধ দেওয়া হচ্ছে, তখন উড়ন্ত এডিস মশাগুলো উঠে আসছিল। সার্বক্ষণিকভাবে মশা এখানে উৎপন্ন হয়েই যাচ্ছে।

default-image

দক্ষিণ সিটির জনসংযোগ শাখা থেকে জানানো হয়, চিরুনি অভিযানের অংশ হিসেবে আজ বাসাবো কদমতলা এলাকায় করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে বিপুল পরিমাণ মশার লার্ভা দেখতে পাওয়ায় তিনি বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানালে অঞ্চল-২–এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সোয়ে মেন জো তৎক্ষণাৎ সেখানে যান। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিজয় ডেভেলপমেন্ট লি. নামের আবাসন উন্নয়নকারী প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেন।

এ ছাড়া এডিস মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে আজ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আরও আটটি ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়। আজকের অভিযানে ১ হাজার ৬১টি বাড়ি পরিদর্শন করে ১১টি নির্মাণাধীন ভবন ও বাসাবাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। পরে ১১টি মামলায় ২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন