default-image

অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ১৪৮ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে করা মামলায় সাংসদ কাজী শহিদ ইসলামের (পাপুল) স্ত্রী সাংসদ সেলিনা ইসলাম ও তাঁদের মেয়ে ওয়াফা ইসলামকে বিচারিক আদালতের দেওয়া জামিন কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মা-মেয়ের জামিনের বিরুদ্ধে দুদকের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রুল দেন।

দুদকের করা ওই মামলায় পাপুলের স্ত্রী ও মেয়ে হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করলে হাইকোর্ট তাঁদের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেন। ওই মামলায় আত্মসমর্পণের পর গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর জামিন দেন বিচারিক আদালত। এই জামিনাদেশ বাতিল চেয়ে গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক, যা আজ শুনানির জন্য ওঠে।

বিজ্ঞাপন

আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমিন উদ্দিন মানিক।
পরে খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, পাপুলের স্ত্রী ও মেয়েকে বিচারিক আদালতের দেওয়া জামিন কেন বাতিল হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন আদালত। ১০ দিনের মধ্যে পাপুলের স্ত্রী, মেয়ে ও রাষ্ট্রপক্ষকে রুলের জবাব দিতে হবে।

উল্লেখ্য, শহিদ ইসলাম লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাংসদ। শহিদ বর্তমানে কুয়েতে কারাবন্দী অবস্থায় আছেন। ঘুষ লেনদেনের দায়ে কুয়েতের একটি আদালত তাঁকে সম্প্রতি চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। সেলিনা সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ। এই দম্পতিসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এর উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দীন গত ১১ নভেম্বর ওই মামলাটি করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ১৪৮ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন