বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক প্রথম আলোকে বলেন, জুয়েল ও রব্বানী সৌদি রিয়েল নিয়ে বাহরাইন হয়ে দুবাইয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। দুজনের লাগেজে যে পরিমাণ সৌদি মুদ্রা পাওয়া গেছে, বাংলাদেশি মুদ্রায় তার মূল্য ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

এপিবিএনের সদস্যরা জানান, জুয়েলের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। রব্বানীর বাড়ি কুমিল্লায়। আজ ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে গালফ এয়ারের একটি ফ্লাইটে তাঁরা বাহরাইনে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সেখান থেকে তাঁরা দুবাইয়ে যেতে চেয়েছিলেন।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, বিমানবন্দরের হোল্ডিং লাউঞ্জের ভেতর থেকে জুয়েল ও রব্বানীকে আটক করে এপিবিএন। এ সময় তাঁদের লাগেজ থেকে ছয় লাখ সৌদি রিয়াল উদ্ধার করা হয়।

এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক বলেন, জুয়েল ও রব্বানী তাঁদের লাগেজগুলো বুকিং দিয়ে ফ্লাইটে ওঠার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। লাগেজগুলো ততক্ষণে উড়োজাহাজে উঠে যায়। উড়োজাহাজ থেকে লাগেজ নামিয়ে তল্লাশি করে বিদেশি মুদ্রা পাওয়া যায়। লাগেজের নিচের অংশে মুদ্রাগুলো লুকিয়ে রাখা ছিল।

জিয়াউল হক বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জুয়েল ও রব্বানী জানিয়েছেন, তাঁরা নিয়মিত দুবাইয়ে ভ্রমণ করেন। প্রতি সপ্তাহেই তাঁরা বাহরাইন হয়ে দুবাইয়ে যান। এসব মুদ্রা দুবাইয়ে পাচারের উদ্দেশ্য ছিল তাঁদের। সোনা চোরাচালানের উদ্দেশ্যে এসব মুদ্রা ব্যবহার করা হতে পারে বলে ধারণা করছেন জিয়াউল হক।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন