বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় মাহমুদুর রহমান বলেন, দেশবাসীর এখন যে দুর্ভোগ, এর জন্য দায়ী শেখ হাসিনার সরকার। তাঁদের বলব, তুমি যাও এর পর আমরা আমাদের মতো করে রাষ্ট্র গঠন করব। করোনা সংক্রমণের মধ্যে দেশে তিন কোটি ৩৩ লাখের বেশি মানুষ গরিব হয়েছে। আজ মানুষের খাদ্য ও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। গরিব মানুষ দূরের কথা, খালেদা জিয়াও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছেন না। সবাই বলছেন, তাঁর (খালেদা জিয়া) চিকিৎসা বিদেশে নিয়ে গিয়ে করাতে হবে। সরকার সেটাও মানছে না।

দেশে এখনকার গণতান্ত্রিক কাঠামোর কথা উল্লেখ করে মাহমুদুর রহমান মান্না আরও বলেন, সরকার সবক্ষেত্রে চাপে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র সম্মেলনের প্রথম পর্বে ১১০টি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বাংলাদেশ ডাক পায়নি। এখন পুরো বিশ্ব বলছে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র নেই। আমাদের এখন মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে হবে।

ভূরাজনীতি বিষয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ভূরাজনীতির চরিত্র বোঝা কঠিন। স্বাধীনতাযুদ্ধে চেয়ে বড় আর কিছু নেই। ওই সময়ে চীন ও আমেরিকা আমাদের স্বীকৃতি দেয়নি। পাকিস্তান স্বীকৃতি দিয়ে দিয়েছে, এর পরও চীন আমাদের স্বীকৃতি দিতে চায়নি। বঙ্গবন্ধু মারা যাওয়ার পর চীন স্বীকৃতি দিয়েছে। আর এখন চীন বড় বড় বিবৃতি দেয় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে চীনের ভূমিকা রয়েছে।

আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা এস এম আকরাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধু বলতেন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এই সংগ্রাম। তবে আজ গণতন্ত্রের অধিকার কোথায়?

এস এম আকরাম আরও বলেন, আমাদের রাজনৈতিক অবস্থান ও দাবি–দাওয়া সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে। দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মানুষকে বোঝাতে হবে, আমরা সঠিক পথে আছি। আমাদের একসঙ্গে এই অপ্রিয় সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে হবে।

নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা যে মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করে স্বাধীনতা আনতে চেয়েছিলাম, সেটা এখন পরিবর্তন হয়ে গেছে। স্বাধীন রাষ্ট্রে এখনো বিজয় অর্জন হয়নি। আইয়ুব খানের আমলেও সুষ্ঠু ভোট হয়েছে। তবে এখন আর সেটাও হচ্ছে না।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন