বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেলার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহমুদুল হক মাসুদ বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, তারা দায়িত্ব নেবে না। আগে থেকেই এত টাকার লেনদেন হচ্ছিল, সেখানে নীতিমালা ছিল না কেন? সরকারকে একটা পথ বের করতে হবে। সমস্যা হয়েছে মাথাটা কেটে ফেলবেন না। অনেক গ্রাহক সুবিধা পেয়েছেন, সরকার রাজস্ব আয় করেছে। ইভ্যালি ‘মানে’ রাসেল নন, তিনি অন্যায় করলে তাঁর বিচার হোক। তাঁকে জামিন না দিলে প্রয়োজনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে হলেও ইভ্যালির কার্যক্রম পরিচালনা করা হোক। অনেক উদ্যোক্তা ধার করে বিনিয়োগ করেছেন, তাঁরা পথে বসেছেন। উদ্যোক্তাদের বাঁচাতে হবে।

বাংলাদেশ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহসাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, নীতিমালা হওয়ার কারণে চাপের মুখে হলেও অন্য ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো মার্চেন্টদের টাকা দিতে পারছে। কারণ, তারা ব্যবসা পরিচালনা করছে। কিন্তু মো. রাসেল জেলে থাকায় টাকা দিতে পারছেন না।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী একজন মার্চেন্ট মাসুমা আক্তার ইভ্যালিতে সোয়া কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ইভ্যালি বন্ধ হলে ২৫ হাজার নতুন উদ্যোক্তা বেকার হয়ে যাবেন। আমাদের কর্মীরা বেকার হয়ে যাবেন।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন