default-image

মাদ্রাসার জেনারেল শিক্ষকেরা বলছেন, এমপিও নীতিমালা-২০১৮–এর ২৩ নভেম্বর প্রকাশিত সংশোধনীতে তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে ও প্রকাশিত সংশোধনী পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে প্রশাসনিক পদে নিয়োগ চান মাদ্রাসার এসব শিক্ষক।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের মওলানা আকরম খাঁ হলে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন। মাদ্রাসায় জেনারেল শিক্ষক বলতে ধর্মীয় ও আরবি বিষয়ের বাইরে বাংলা, ইংরেজি ও বিজ্ঞানের মতো বিষয়ে পাঠদানরত শিক্ষকদের বোঝায়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি সংগঠনটির পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো মাদ্রাসার জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ সংশোধনী করে সব পর্যায়ের মাদ্রাসার প্রশাসনিক (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহ–সুপার) পদে নিয়োগে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সংশোধন করে সবার অংশগ্রহণের সুযোগের দাবি, আলিম মাদ্রাসায় জ্যেষ্ঠ প্রভাষক পদ বিলুপ্ত করে সহকারী অধ্যাপক পদ বহাল রাখা, প্রভাষক (গণিত) পদ বহাল রাখা, চাকরিকাল ৮ বছর হলে প্রভাষকের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতিসহ পর্যায়ক্রমে সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে পদোন্নতির সুযোগ এবং গ্রন্থাগারিক ও সহ–গ্রন্থাগারিক পদে জেনারেল প্রার্থীর আবেদনের সুযোগ রাখা।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনে তাঁদের উত্থাপিত দাবিগুলো মেনে নিতে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানান। শিক্ষকেরা বলেন, স্কুল–কলেজের আনুপাতিক হারে মাদ্রাসা জাতীয়করণ করে শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য করা হচ্ছে। এই বৈষম্য দূর করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. ফজললুল বারী, মোখলেছুর রহমান, সহসভাপতি মো. হোসনি মোবারক, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মো. ওয়ালিদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন