বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বুয়েটের উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার আজ রোববার সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, নিখিল রঞ্জন ধরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটিকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

৬ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন পাঁচটি সরকারি ব্যাংকের ১ হাজার ৫১১টি ‘অফিসার ক্যাশ’ পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে এক ঘণ্টার পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর একাধিক প্রার্থী অভিযোগ করেন, পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১০০টি প্রশ্নের প্রিন্ট করা উত্তরপত্র ফেসবুকে পাওয়া গেছে। ওই পরীক্ষা নেওয়ার দায়িত্বে ছিল আহছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর পরীক্ষাটি বাতিল করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার সিলেকশন কমিটি। এ ঘটনায় আহছানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মচারীসহ কিছু ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে বুয়েটের অধ্যাপক নিখিল রঞ্জন ধরের নাম এসেছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ছাপাখানায় প্রশ্নপত্র ছাপা হওয়ার পর তিনি একটি বা দুটি সেট নিজের ব্যাগে ঢুকিয়ে নিতেন৷

প্রশ্নপত্র ব্যাগে ঢোকানোর বিষয়টি স্বীকার করলেও নিখিল রঞ্জন ধর সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন, ‘চেক’ করার পর সেই প্রশ্নপত্রগুলো তিনি ময়লার স্তূপে ফেলে আসতেন৷ ওই ময়লার স্তূপ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরাই৷

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন