বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হলেও সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখানে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। অষ্টম শ্রেণিতে মোট শিক্ষার্থী ৭৭ জন। কিন্তু উপস্থিত ছিল ৫০ জন।
উপস্থিতি কম কেন, জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মাহমুদা ইয়াসমিন বলেন, দীর্ঘদিন পর খুলছে এবং করোনার কারণেও হয়তো প্রথম দিন উপস্থিতি এমন হয়ে থাকতে পারে। তবে তাঁরা আশা করছেন, কাল সোমবার থেকে উপস্থিতি বাড়বে।
করোনা সংক্রমণের কারণে দীর্ঘ ১৮ মাস বন্ধের পর আজ বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া দেশের উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। মেডিকেল কলেজগুলো খুলবে কাল। চলমান করোনা মহামারির কারণে শিক্ষাঙ্গনে দীর্ঘ অনাকাঙ্ক্ষিত বিরতির অবসান ঘটেছে আজ। অপেক্ষার পালা শেষে প্রাণহীন শিক্ষাঙ্গনে আজ আবার প্রাণের ছোঁয়া লেগেছে।

গণকঢুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো হাজারীবাগের আরেকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়েও উপস্থিতি কম দেখা গেছে। হাজারীবাগ বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়েও স্বাস্থ্যবিধি মানার চিত্র ভালো দেখা গেছে। প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ ছায়িদ উল্লা নিজেই তদারক করছিলেন। নিচতলায় একটি শ্রেণিকক্ষে গিয়ে দেখা গেল, ছাত্রীরা সবাই মাস্ক পরে ক্লাস করছে। তাদের বসানোও হয়েছে দূরত্ব মেনে। বিদ্যালয়ের ফটকের সামনে আছে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা। তাপমাত্রা মাপার জন্য আছে ইনফ্রারেড থার্মোমিটার। প্রধান শিক্ষকের টেবিলে প্রাথমিক চিকিত্সার বাক্স। এগুলো সব ঠিক থাকলেও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ভালো পাওয়া গেল না।

default-image

বিদ্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পঞ্চম শ্রেণিতে দুই শাখা মিলে মোট শিক্ষার্থী ৭০ জন। কিন্তু উপস্থিত ছিল ৪০ জন। উপস্থিতির হার ৫৩। আর তৃতীয় শ্রেণিতে মোট শিক্ষার্থী ৮৯ জন। উপস্থিত ছিল ৫৬ জন। মানে উপস্থিতি হার ৬৩ শতাংশ।
জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ ছায়িদ উল্লা বলেন, তারা সব অভিভাবকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করছেন। মনে হচ্ছে, কিছু অভিভাবক এখনো দ্বিধাগ্রস্ত। আবারও অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। তিনি ধারণা করছেন, এরপর থেকে উপস্থিতি বাড়বে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন