বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেয় ঢাকা আইডিয়াল ক্যাডেট স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শামীমা রহমান। বন্দী বিশ্বনেতাদের দিকে আঙুল তুলে সে প্রথম আলোকে বলে, ‘এঁরা হলেন বিশ্বের বড় বড় নেতা। জলবায়ু নিয়ে তাঁদের কোনো মাথাব্যথা নেই। এরপরও তাঁরা যদি পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে আমরা সারা জীবনের জন্য তাঁদের জেলে রাখতে বাধ্য হব। চাবি কিন্তু আমাদের হাতে! হা..হা..হা।’

default-image

প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে বলা হয়, জলবায়ু বিপর্যয়ের কারণে প্রকৃতি চরম ও অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছে। এ বিপর্যয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের মতো প্রান্তিক দেশগুলো। দেশের প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ শিশু সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। অথচ জলবায়ু বিপর্যয় ও বৈশ্বিক উন্নয়নের লাগাম কিছুতেই টেনে ধরতে পারছে না শিল্পোন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সদিচ্ছা না থাকায়।

প্রতীকী এ কর্মসূচিতে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে বানানো হয়েছে কারাগারের বন্দিশালা। তাতে মুখোশ পরিয়ে প্রতীকীভাবে আটকে রাখা হয়েছে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ বিশ্বনেতাদের। চাবি হাতে শিশুরা হুঁশিয়ারি দেয় নেতাদের।

কর্মসূচিতে এমিশনস নাও বাংলাদেশের সদস্যসচিব মঞ্জুরুল হাসান বলেন, জলবায়ু বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হচ্ছে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি। কার্বন নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রে বিশ্বনেতারা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে বারবার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। প্রাণ-প্রকৃতির অস্তিত্ব যখন বিনাশের পথে, তখন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে তাঁরা এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন। ফলে বাংলাদেশের মতো উপকূলীয় দেশগুলোর জন্য এ বিপর্যয় ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।

default-image

সংগঠনের সদস্য সামিউল হাসান বলেন, শিল্পোন্নত দুনিয়া, বিশেষ করে জি-টোয়েন্টি দেশগুলোর লাগামহীন কার্বন নিঃসরণ ও মাত্রাতিরিক্ত জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার এ অবস্থার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী। জলবায়ু সম্মেলন কপ ২৬ অনুষ্ঠিত হলেও শুধু আলোচনা ছাড়া জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার বন্ধে আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এ উদাসীনতা ও ব্যর্থতার প্রতিবাদে তরুণ প্রজন্ম প্রতীকী খাঁচায় বিশ্বনেতাদের বন্দী করে প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন