বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) সেন্টার ফর ক্রিটিক্যাল অ্যান্ড কোয়ালিটেটিভ স্টাডিজের আয়োজনে গত বৃহস্পতিবার ‘এ হিউম্যান রাইটস বেসড অ্যাপ্রোচ টু মিসইনফরমেশন’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে এসব কথা বলেন জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

ওয়েবিনারে মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশেষজ্ঞ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সংবাদকর্মীরা যোগ দেন। ফেসবুকের মিসইনফরমেশন প্রোডাক্ট পলিসি ম্যানেজার জেনা হ্যান্ড ও ফেসবুক বাংলাদেশের পাবলিক পলিসির প্রধান সাবহানাজ রশিদও এতে অংশ নেন। এ সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ওপর অপতথ্যের প্রভাব সম্পর্কে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন তাঁরা। ওয়েবিনারে তৃণমূল পর্যায়ের ৪০টি নিউজ পোর্টাল থেকে অর্ধশতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন।

জেনা হ্যান্ড বলেন, ফেসবুক তিনভাবে অপতথ্যকে মোকাবিলা করে, যেমন-সতর্কীকরণ লেভেল দেওয়া, বিস্তার কমানো ও সরিয়ে ফেলা। তিনি বলেন, ফেসবুক এমন সব ভুল তথ্য সরিয়ে দেয়, যা আসন্ন শারীরিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করে, যা বিভ্রান্তিকর/বিকৃত কনটেন্ট ও যা মানুষকে সহিংস করে তুলতে পারে এমন সম্ভাবনা সৃষ্টি করে।

সাবহানাজ রশিদ বলেন, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফেসবুক কখনোই সত্য-মিথ্যার সালিস কেন্দ্র হতে পারে না। ভুল তথ্য/গুজব মোকাবিলায় সমাজের সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। এসব কারণে ফেসবুক বাংলাদেশে ভুল তথ্য মোকাবিলায় স্থানীয়-আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ ও ফ্যাক্ট-চেকারদের সঙ্গে কাজ করে।

ওয়েবিনারে দেওয়া স্বাগত বক্তব্যে ইউল্যাবের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের বিশেষ উপদেষ্টা অধ্যাপক ইমরান রহমান বলেন, ইউল্যাব প্রতিটি মানুষের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতা বিকাশে কাজ করছে। ফেসবুক ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে নিরাপদ সাইবার জগৎ গড়ে তুলতে ইউল্যাবকে সহযোগিতা করছে। এর অংশ হিসেবে দেশের তৃণমূল পর্যায়ের নিউজ পোর্টাল ও মানবাধিকারকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

সেমিনারে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুমন রহমান, রেজাউর রহমান লেনিন, মুস্তাইন জহির, সাইমুম রেজা তালুকদার, সিমু নাসের ও ফেরদৌস আরা রুমি।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন