ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতির কারণে নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা পরে এমএইচ-১৯৬ ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণ করতে দেওয়া হয়। বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উড়োজাহাজটি বিমানবন্দরে নামার পর বোর্ডিং ব্রিজ থেকে কিছুটা দূরে দাঁড় করানো হয়। উড়োজাহাজটি ঘিরে সশস্ত্র অবস্থান নেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এরপর অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে একে একে যাত্রীদের বের করে আনা হয়।

করা হয় প্রত্যেকের দেহ তল্লাশি। পরে উড়োজাহাজটি নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। বিমানবাহিনীর বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা তল্লাশি চালান। তল্লাশি শেষে রাত ১২টায় র‍্যাবের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি।

default-image

র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল কে এম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, ফ্লাইটটি রাত সাড়ে আটটায় কুয়ালালামপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পরপরই তাঁদের কাছে খবর আসে, দুই যাত্রী বোমা বহন করছেন। এরপর নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোর সমন্বয়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট আরেকটি সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছে, ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার কাছ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রথম এ ধরনের খবর পায়। খবরটি ছিল, পাকিস্তানের দুই ব্যক্তি মালয়েশিয়া থেকে ওই ফ্লাইটে বোমা নিয়ে ঢাকায় আসছেন, যাঁরা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত।

উড়োজাহাজে তল্লাশি শেষে বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়। রাত দেড়টার দিকে হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ এইচ এম তৌহিদ-উল-আহসান সাংবাদিকদের বলেন, একটি খবরের ভিত্তিতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উড়োজাহাজে যাত্রী ছিলেন ১৩৫ জন। যাত্রীদের পাশাপাশি কেবিন ও সব লাগেজ স্ক্যান করা হয়েছে। কোথাও বোমা পাওয়া যায়নি। উড়োজাহাজটিকে পরবর্তী ফ্লাইটের জন্য উপযুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন