বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খোকনের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুরে। তার বাবার নাম আরিজ মিয়া। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে খোকন ছিল সপ্তম। কী কারণে সে মারা যেতে পারে সে সম্পর্কে কিছু জানাতে পারেননি ভাই আনিস মিয়া।

সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মর্গ থেকে আনিস মিয়া বৃহস্পতিবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, খোকন বংশালের মালিটোলায় একটি ব্যাগ তৈরি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করত। কারখানার ভেতরেই থাকত সে। একই কারখানায় তাঁদের গ্রামের আরেক তরুণ কাজ করেন। গত ৩১ ডিসেম্বর তাঁর কাছে জানতে পারেন খোকন নিখোঁজ।

আনিস আরও জানান, বৃহস্পতিবার বংশাল থানা পুলিশ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে লাশ উদ্ধারের কথা জানায়। পরে নাসিরনগরের হরিপুর থেকে সন্ধ্যায় ঢাকায় আসেন তিনি। এর পর মর্গে গিয়ে পরনের পোশাক দেখে খোকনের মরদেহ শনাক্ত করেন।

ঘটনা তদন্তকারী কর্মকর্তা বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজিব ঢালি বৃহস্পতিবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, শুক্রবার ময়নাতদন্ত শেষে খোকনের লাশ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন