বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘এ দেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসেন। তাই এই বই (জন্মশতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি: নেতা মোদের শেখ মুজিব) সবার কাছে পৌঁছে দিতে চাই। আওয়ামী লীগের সকল নেতা-কর্মী, সাংসদ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কাছে বইটি পৌঁছানোর জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, এই বই বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি প্রামাণ্য দলিল। যাঁরা রাজনীতি করতে চান, তাঁদের বইটি অবশ্যই পড়া উচিত। বঙ্গবন্ধু কীভাবে নেতা হয়ে উঠেছিলেন, কীভাবে নেতৃত্ব দিতে হয়, তা শেখার জন্য হলেও বইটি পড়তে হবে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ এখন রেসের ঘোড়া। এ দেশ একের পর এক বাজি জিতে যাচ্ছে। এই জাতিকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না। তিনি বলেন, ‘আমাদের নিয়ে অনেক অপপ্রচার হচ্ছে, ষড়যন্ত্র হচ্ছে। কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না। এখন দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে ষড়যন্ত্র দেখে যাওয়ার সময় নেই। সবাইকে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।’

default-image

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর নজরুল ইসলাম খান, জন্মশতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি: নেতা মোদের শেখ মুজিব গ্রন্থের সম্পাদনা পর্ষদের সদস্য অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাংবাদিক নেতা মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, গবেষক নামজুল হোসেন প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন