বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মোশাররফ হোসেন বলেন, মামলায় সর্বশেষ সাক্ষী মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা। আজ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।
আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত ১৭ সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী।

দুদকের মামলা থেকে বাঁচিয়ে দিতে তৎকালীন ডিআইজি মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয় এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে। অনুসন্ধানে এর প্রমাণ মেলায় ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুজনের বিরুদ্ধেই মামলা করেন দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা।

তদন্ত শেষে গত বছরের ১৯ জানুয়ারি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে একই বছরের ১৮ মার্চ দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরে ১৯ আগস্ট মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, এনামুল বাছির কমিশনের দায়িত্ব পালনকালে অসৎ উদ্দেশ্যে নিজে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আশায় ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। মিজানুর রহমানকে অবৈধ সুযোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর অবৈধভাবে অর্জিত ৪০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে নিয়েছেন। ঘুষের ওই টাকার অবস্থান গোপন করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ করেছেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন