বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মেয়র বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে গুলশানের ডিএনসিসির নগর ভবনে যে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়, এর নম্বরগুলো ০২৫৮৮১৪২২০, ০৯৬০২২২২৩৩৩ এবং ০৯৬০২২২২৩৩৪। যাঁরা আজ (ঈদের দ্বিতীয় দিন) ও কিংবা আগামীকাল (ঈদের তৃতীয় দিন) কোরবানি দেবেন, বিচ্ছিন্নভাবে ওই কোরবানির বর্জ্যগুলো রাস্তায় পড়ে থাকলে কন্ট্রোল রুমে ফোন করে জানাবেন। এ ছাড়া সবার ঢাকা অ্যাপসের মাধ্যমে কোরবানির বর্জ্য সম্পর্কে জানানো যাবে।

কোরবানির বর্জ্য অপসারণে কন্ট্রোল রুমের নম্বর ছাড়াও সবার ঢাকা মুঠোফোন অ্যাপে সাড়া পাওয়া গেছে জানিয়ে বলেন, মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে অনেকেই আমাদেরকে কোরবানির বর্জ্যের বিষয়ে জানিয়েছেন। অ্যাপে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেও দ্রুত ওই নির্ধারিত জায়গায় গিয়ে বর্জ্য অপসারণ করা হয়।

করোনা মহামারিতে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিষয়ে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মেয়র আরও বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কার‌ও যেন মৃত্যু না হয়, সে জন্য নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এডিস মশার বংশবিস্তারকে রোধ করতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকা গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কোরবানির পশুর বর্জ্যের কারণে নগরের কোথাও যাতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি না হয়, সে জন্য কোরবানিদাতাদের কাছে বর্জ্য রাখার জন্য ৬ লাখ ৫০ হাজার ব্যাগ, ৫০ মেট্রিক টন ব্লিচিং পাউডার এবং ৫ লিটার পরিমাণের ১ হাজার ৫টি স্যাভলনের বোতল বিতরণ করা হয়েছে বলেও মেয়র জানান।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন