বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রূপরেখার দলিলটি সইয়ের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলেন, ‘যে দলিল সই হয়েছে, এর আওতায় দুই দেশ অনেকগুলো প্রকল্প বা অ্যাকশন প্রোগ্রাম নেবে। ডেনমার্কের ক্রাউন প্রিন্সেসের নেতৃত্বে বাংলাদেশে একটি প্রতিনিধিদল এসেছে। দুই দেশের সই হওয়া সমঝোতার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে অভিযোজন ও প্রশমনে যেসব প্রকল্প নেওয়া হবে, সেগুলো আমরা তাদের জানাব। ডেনমার্ক এতে আমাদের সাহায্য করবে, আর্থিক সহায়তা দেবে। সবুজ ও টেকসই রূপরেখায় তারা আমাদের জ্ঞান ও প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে।’

ডেনমার্ককে বাংলাদেশের পুরোনো বন্ধু অভিহিত করে মন্ত্রী রূপরেখার দলিল সইকে ৫০ বছরের সম্পর্কে একটি মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ডেনমার্ক আমাদের জীববৈচিত্র্যের ওপর যথেষ্ট জোর দেবে, এটা আমাদের জন্য সুখবর। পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিতে ও অভিজ্ঞতায় তারা সহযোগিতা করবে। আমরা অধিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি চাই। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি চাই, এখন সাড়ে ৩ শতাংশ রয়েছে। কীভাবে কাজ করা যায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে, সেটা নিয়ে আমরা আলাপ করেছি।’

ডেনমার্কের উন্নয়নমন্ত্রী ফ্লেমিং মোলার মরটেনসেন বলেন, ‘আমার প্রথম সফরে বাংলাদেশে এসে এটি সই করতে পারাটা আমার জন্য আনন্দের। ডেনমার্ক ও বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী জলবায়ু অ্যাজেন্ডায় শক্তিশালী ও সক্রিয় দেশ। আমরা আজ যে চুক্তি করলাম, সেটা বলে দিচ্ছে, প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে যেসব অঙ্গীকার হয়েছে, সেগুলো নিয়ে আমরা কাজ করতে প্রস্তুত।’

প্রসঙ্গত, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ডেনমার্কের ক্রাউন প্রিন্সেস মেরি এলিজাবেথের নেতৃত্বে দেশটির একটি প্রতিনিধিদল সোমবার সকালে ঢাকায় পৌঁছায়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন