বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গতকাল শনিবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগ থানা এলাকায় গাড়ির হর্ন দেওয়া নিয়ে কথা–কাটাকাটির জেরে বেসরকারি টেলিভিশন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রিশাদ হুদাকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় ধানমন্ডি থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজিম আহমেদকে আটক করে শাহবাগ থানা–পুলিশ। পরে নাজিম, তাঁর সহযোগী তানভীর, ইউসুফসহ ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন রিশাদ হুদা।

নাজিমকে আজ আদালতে হাজির করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে পুলিশ। আসামির পক্ষে জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
রিশাদ হুদার সহকর্মী বনি ইবনে কামাল প্রথম আলোকে বলেন, বিকেলে কাঁটাবন এলাকা দিয়ে মোটরসাইকেলে করে শাহবাগের দিকে যাচ্ছিলেন রিশাদ। তাঁর সামনে একটি ব্যক্তিগত গাড়ি ছিল। হর্ন দিয়ে ওই গাড়িকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতেই রিশাদকে গালাগাল করেন চালক। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে তর্ক হয়। একপর্যায়ে গাড়িতে থাকা তিন–চারজন রিশাদকে মারধর করেন। সেখানে উপস্থিত লোকজন এগিয়ে এসে রিশাদকে রক্ষা করেন।

বনি ইবনে কামাল বলেন, কাঁটাবন থেকে রিশাদ শাহবাগে আসার পর আবারও তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। একপর্যায়ে রিশাদের পরিচয় পেয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নাজিম আহমেদ সমঝোতা করতে আজিজ সুপার মার্কেটে নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে আলোচনার সময় বাইরে থেকে কয়েকজন এসে তাঁর ওপর আবার হামলা চালান। ঘটনাস্থলে আসার পর এক পুলিশকেও আহত করেন হামলাকারীরা। পরে সহকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে রিশাদকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে শাহবাগ থানায় আসেন রিশাদ। পরে তিনি মামলা করেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন