বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাড্ডা থানার পুলিশ জানায়, আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’ তে ফোন পেয়ে পুলিশ বাড্ডার ইউলুপ সেতুর (ব্রিজ) নিচে পরিত্যক্ত কন্টেইনারের ভেতর থেকে স্বপনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর তাঁকে বেলা ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, স্বপন মধ্যবাড্ডার ব্যাপারী গলির একটি মেসে থাকতেন। তাঁর স্ত্রী–সন্তান থাকেন কুমিল্লার মেঘনার হরিপুরে গ্রামের বাড়িতে। স্বপনের ভাগনে পারভেজ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাস্থলের পাশে কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর মামার মারামারি হওয়ার ঘটনা তিনি পরে জেনেছেন।

বাড্ডা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. ইয়াসিন গাজী প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন আনোয়ার। হত্যায় আনোয়ারসহ দুজন অংশ নেন। তাঁরা নিহত স্বপনের পূর্ব–পরিচিত। জিজ্ঞাসাবাদে আনোয়ার বলেন, স্বপনকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন, সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে একেকবার একেক রকম কথা বলেছেন আনোয়ার।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন