বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মোখলেছুরের বাড়ি কিশোরগঞ্জে। তিনি রাজধানীর তেজগাঁও কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেছেন। বর্তমান একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করছেন।

২০১৩ সাল থেকে মোখলেছুর নানান সমস্যা ও অসংগতির বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে এককভাবে কাজ করে আসছেন।
মোখলেছুরের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার। তিনি নরসিংদী সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী।

মোখলেছুর-তাহমিনা দম্পতির মেয়ের নাম হৃদিতা মেহরুন। সে শিশু শ্রেণিতে পড়ে।

মোখলেছুর প্রথম আলোকে বলেন, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক সমস্যা। বাল্যবিবাহ শিশুর অধিকার লঙ্ঘন করে। দেশের নানা প্রান্তের কোমলমতি শিশুরা প্রতিনিয়ত বাল্যবিবাহ নামের ব্যাধির শিকার হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারে এ ধরনের বিয়ের হার খুব বেশি। বাল্যবিবাহের কারণে শিশুদের শিক্ষাজীবন ব্যাহত হচ্ছে। অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ের ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ, শিশুমৃত্যু, মাতৃমৃত্যু, পুষ্টিহীনতাসহ নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

মোখলেছুর আরও বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে চাই আইনের সঠিক প্রয়োগ। চাই অভিভাবকদের সচেতনতা, সামাজিক সচেতনতা, উত্ত্যক্তকারীদের উপযুক্ত শাস্তি।

মোখলেছুরের স্ত্রী তাহমিনা বলেন, ‘সাধারণত অন্য সময় এমন কর্মসূচিতে আসার সুযোগ পাই না। আজ সুযোগ হয়েছে, তাই এসেছি। আর বিষয়টা যেহেতু কন্যাশিশুর জন্য জরুরি, তাই আমার এই কর্মসূচিতে আসার আগ্রহটা বেশি কাজ করেছে।’
তাহমিনা মনে করেন, বাল্যবিবাহ ঠেকানোর পাশাপাশি কন্যাশিশুর জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়তে সরকারিভাবে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন