বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যেসব জনগোষ্ঠীর জন্য এসব উপকরণ তৈরি হয়েছে, তাঁদের মধ্যে আছেন মা-বাবা, শিক্ষক, কিশোর-কিশোরী, যুবা, ধর্মীয় নেতারা, পুলিশ, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি।
অনুষ্ঠানে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের অ্যাডভোকেসি ও কমিউনিকেশন ডিরেক্টর টনি মাইকেল বলেন, ‘একা যুদ্ধ করে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে জয়ী হতে পারব না। আমরা যদি একসঙ্গে যুদ্ধ করি তবেই বাংলাদেশকে বাল্যবিবাহমুক্ত দেশে পরিণত করতে পারব।

আসুন এই যোগাযোগ উপকরণগুলোকে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করি এবং এর যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে দেশকে এই অভিশাপ থেকে মুক্ত করি।’

অনুষ্ঠানে বাল্যবিবাহের সাম্প্রতিক অবস্থা তুলে ধরেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ডেপুটি ডিরেক্টর অ্যাডভোকেসি নিশাত সুলতানা। ইউনসেফের চাইল্ড প্রটেকশনের প্রধান কর্মকর্তা নাটালি ম্যাককাউলি, ব্র্যাকের ঊর্ধ্বতন পরিচালক কে এম মোর্শেদ।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, উপকরণগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে তা বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

ওয়ার্ল্ড ভিশনের সিনিয়র ডিরেক্টর (অপারেশনস অ্যান্ড প্রোগ্রাম কোয়ালিটি) চন্দন জেড গোমেজ সংস্থার পক্ষ থেকে সমাপনী বক্তব্য দেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন