বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিম্মী খান মূলত মদিনা অ্যাগ্রো, রুস্তম অ্যাগ্রো, খান অ্যাগ্রো, সামারাই ক্যাটেল ফার্ম, ওয়েলটেক অ্যাগ্রো, আল-হেরা অ্যাগ্রো, সারা অ্যাগ্রোসহ দেশের বড় অ্যাগ্রো ফার্মের কাছ থেকে কাজের আদেশ পান। ব্যক্তিগতভাবেও অনেকে কিনতে চান। এক লাখ টাকার বেশি দামের গরুগুলোর জন্যই মূলত সাজসজ্জার উপকরণ কেনেন ক্রেতারা। তবে এবার দেশি ছোট গরুর জন্যও কিছু উপকরণ বানিয়েছেন এই উদ্যোক্তা।

নিজের দুই ভাই প্রথমে গরু সাজানোর উপকরণ বানানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন বোনকে। প্রথমে নিজেদের গরুর জন্য বানানো হলেও পরে তা ব্যবসায়িক উদ্যোগে পরিণত হয়। ইংরেজি মাধ্যমে পড়া সিম্মীর ছেলে সামিন জাওহার আম্বারও এখন মায়ের এই ব্যবসায় সহযোগিতা করছেন।

আট লাখ টাকার গরুর সাজ বিক্রির তথ্য জানিয়ে সিম্মী ইরাম খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘অনেকে ভাবতে পারেন, খুব সহজেই এত টাকা আয় করছি। বিষয়টি মোটেও তা নয়। উপকরণ তৈরির জন্য বিভিন্ন জিনিস পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে ঘুরে ঘুরে সংগ্রহ করতে হয়। লেদারের মধ্যে এমব্রয়ডারি করাসহ অন্যান্য কাজে প্রচুর সময় লাগে। তাই খরচ ও পরিশ্রমের তুলনায় লাভটা খুব বেশি নয়। তবে ক্রিয়েটিভ বা শৌখিন কাজ তো আর হিসাব-নিকাশ করে করা যায় না।’

default-image

সিম্মী খানে মিত্রা এবং তানা-বানা নামের পোশাকের দুটো ব্র্যান্ড আছে। ২০১৫ সাল থেকে (করোনার জন্য গত বছর কাজ বন্ধ ছিল) এর পাশাপাশি তিনি কোরবানির গরুর সাজসজ্জার উপকরণ তৈরি করছেন। শরীফ অ্যাগ্রোতে ৩০০ পিস মালা বিক্রির মধ্য দিয়ে তাঁর এ কাজের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। এবার ২ হাজার ২০০ টাকায় গরুর পুরো সাজ বিক্রি করছেন তিনি। আলাদা করে মুখের মুহুরি আর গলার ঝুল ১ হাজার ৪০০ টাকা, কুঁজের ঝুল ৮০০ টাকা, চাদর ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাঁর ‘গরুর মালা’ নামের ফেসবুক পেজে সাজসামগ্রীর খবর জানানো হয়।

সিম্মী জানান, এ কাজে তাঁকে দুই ভাই, মা আর ছেলে সহায়তা করে। আর বড় পরিচিতি এসেছে নারী উদ্যোক্তাদের প্ল্যাটফর্ম উইম্যান অ্যান্ড ই–কমার্স ফোরামে (উই) যুক্ত হয়ে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন