ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বাইরে বশিরের ভাতিজি জেসমিন হকের সঙ্গে কথা হয় প্রথম আলোর। তিনি মনেশ্বর রোডের ওই বাড়ির তৃতীয় তলায় থাকেন। জেসমিন বলেন, গতকাল বুধবার বাড়িতে আসেন শামীমা বেগম ও বশিরুল হক। সেখানে জুস, পুরিসহ বিভিন্ন খাবার খান। বাইরে থেকে এসব খাবার আনা হয়েছিল। পরে তাঁরা অচেতন হয়ে পড়েন।

জেসমিন হক বলেন, গতকাল রাতে তিনি দুই তলায় বশিরদের বাসায় ঢুকে দুজনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। বাসায় মালামাল লন্ডভন্ড ছিল। আলমারিতে টাকাপয়সা ছিল না। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির নিচতলায় হাত–পা বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় বৃদ্ধা আকলিমাকে দেখতে পান।

হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোক্তারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে একটার দিকে ৯৯৯ থেকে থানায় ফোন করে মনেশ্বর রোডের ঘটনা জানানো হয়। পরে পুলিশ গিয়ে আকলিমার লাশ উদ্ধার করে। এ ছাড়া বশিরুল ও শামীমাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

প্রতারক চক্রের সদস্যরা আকলিমাকে নেশাজাতীয় খাবার খাইয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে ধারণা করছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ওই বাসার আলমারি থেকে ৪০ হাজার টাকা খোয়া গেছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন