বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মেয়র আতিকুল বলেন, ছয় মাসের মধ্যে প্রত্যেকটি বাড়িতে সেপটিক ট্যাংকের ব্যবস্থা করতে হবে। না করলে জরিমানা করা হবে। লেকের পানি নষ্ট হবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।

ডিএনসিসি মেয়র আরও বলেন, ‘ঢাকা শহরে নতুন টয়লেট বানানোর ক্ষেত্রে আমাদের আগ্রহ আছে। কিন্তু আমাদের হাতে পর্যাপ্ত জমি নেই। এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।’

রাজধানীর জলাশয় অসাধু আবাসন ব্যবসায়ীরা দখল করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন মেয়র আতিকুল। তিনি বলেন, ‘অসাধু আবাসন ব্যবসায়ীদের বলি, প্রতারণামূলক ব্যবসা থেকে নিজেদের বিরত রাখুন।’

অনুষ্ঠানে ওয়াটার এইডের বাংলাদেশিয় প্রধান হাসীন জাহান বলেন, ঢাকা শহরে টয়লেট তৈরিতে অনেক প্রতিষ্ঠান আগ্রহী। তিনি টয়লেটের উন্নয়নে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি নেটওয়ার্কের প্রস্তাব দেন। তিনি এর নাম দেন, ‘পাবলিক টয়লেট সার্ভিস অপারেটর নেটওয়ার্ক।’ মেয়র আতিক এ ধরনের নেটওয়ার্ক তৈরিতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে ইউনিলিভার বাংলাদেশের বিপণন বিভাগের পরিচালক তানজিন ফেরদৌস বলেন, ঢাকা শহরে প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য একটি পাবলিক টয়লেট রয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক। এই পরিস্থিতি উত্তরণে সরকারি-বেসরকারি তৎপরতা জোরদার করতে হবে।

গোলটেবিল সঞ্চালনা করেন দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী তারিক বিন ইউসুফ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট পুষ্কর শ্রীবাস্তব, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার অমিত দত্ত রায়, বিশ্বব্যাংকের আরবান ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট ঈশিতা আলম অবনী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ভূমিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা রশিদ ঢাকা শহরের টয়লেট ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি নিয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন