default-image

ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক ও তাঁর পাঁচ সহযোগীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতা এবং সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে তিনটি মামলা করার পর প্রধানমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ছাত্রী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এই ছাত্রী শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানান। তিনি বলেন, তিনি কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা রাজনৈতিক দলের দ্বারা প্রভাবিত নন।

এর আগে এই ছাত্রী ধর্ষণ, অপহরণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চরিত্রহননের অভিযোগে ডাকসুর সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক ও তাঁর ছয় সহযোগীর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করেন। গত রোববার, মঙ্গলবার ও বুধবার রাজধানীর লালবাগ, কোতোয়ালি ও শাহবাগ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে মামলাগুলো করা হয়েছে। নুরুল হকসহ ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা এসব মামলাকে ‘মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও ষড়যন্ত্রমূলক’ বলে দাবি করে এগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে ওই ছাত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে এখনো সেই সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি যে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া একটি মেয়ে তাঁর সর্বস্ব বিসর্জন দিয়ে মিথ্যা মামলা সাজাবেন৷ আমি বারবার সবার কাছে ঘুরেছি বিচারের জন্য। কেউ সহায়তা করেনি বা কেউ করতে চেয়েও পারেনি।’ তিনি বলেন, ‘আমি সব হারিয়েও বিচার দাবি করছি। বিচারে যদি কেউ গাফিলতি করেন বা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আড়াল করে রাজনৈতিক ঘৃণ্য খাতে প্রবাহিত করেন বা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অন্যায়ভাবে সহায়তা করেন, তাহলে আমি আরও কঠোর হব।’

অভিযোগকারী ছাত্রী বলেন, ‘সমস্যা সমাধানে’ মেসেঞ্জারে ছাত্র অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে চ্যাট গ্রুপ করা হয়েছিল, সেখানকার সদস্যরা যা জানেন, তা প্রকাশ না করলে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘একজন নির্যাতিতা সাধারণ ও অসহায় নাগরিক হিসেবে আপনার কাছে আমি ন্যায়বিচার প্রার্থনা করছি।’

মন্তব্য পড়ুন 0