বিজ্ঞাপন

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে গ্যাসের চাহিদা বাড়ছে। আমদানি করা হচ্ছে। এর সঙ্গে দেশে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস মিশ্র না হলে খরচ অনেক বেড়ে যেত।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন কোম্পানিকে নিজস্ব আয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে নসরুল হামিদ বলেন, সরকারের কাছ থেকে টাকা নেওয়া ও বিল দেওয়ার চিন্তা থেকে পিডিবিকে সরে আসতে হবে। আরও দক্ষ হতে হবে। নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। ধীরে ধীরে সরকার বরাদ্দ কমিয়ে দেবে।

বেসরকারি খাতের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে নসরুল হামিদ বলেন, এক যুগে এ খাতে বাজেট বরাদ্দ ১০ গুণ বেড়েছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে। শুরু থেকেই তাদের অনেক সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এখন তো একটা শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে। বেসরকারি খাতের সামর্থ্য বেড়েছে। তাই সরকার রাজস্ব বাড়াতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আবার কম দামে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় আছে।

বিদ্যুৎ সচিব হাবিবুর রহমান বলেন, বেসরকারি উৎপাদন কোম্পানির সব দাবি হয়তো বাজেটে প্রতিফলিত হবে না। এগুলো নিয়ে আগেও বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এসব দাবির পক্ষে বিদ্যুৎ বিভাগ সচেষ্ট আছে।

হাবিবুর রহমান বলেন, ফার্নেস অয়েলে আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে বিদ্যুতে ভর্তুকি দিয়ে ‘কোনো সুফল আসবে না’। এতে শুধু এনবিআরের রাজস্ব বাড়বে। এটি নিয়ে এনবিআরের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইপিপিএর সহসভাপতি মোজাম্মেল হোসেন। তিনি স্ট্যাম্প ডিউটি ও রেজিস্ট্রেশন ফি, অগ্রিম কর, ফার্নেস অয়েলে ৩৪ শতাংশ আমদানি শুল্ক, বিলম্বে বিল প্রদান, পরিবেশগত সনদ প্রদানে বিলম্ব, স্টোরেজ ট্যাংকের ভাড়া ইত্যাদি বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের সহযোগিতা কামনা করেন। বেসরকারি খাতের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে ২৪ হাজার ৯৮২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার মধ্যে ৯ হাজার ৩৮৪ মেগাওয়াট বেসরকারি খাতের।

এফইআরবির চেয়ারম্যান অরুণ কর্মকারের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী পরিচালক শামীম জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পিডিবির চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন ও বিআইপিপিএ সভাপতি ইমরান করিম।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন