বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ সিটির মেয়র বলেন, ‘আমরা অপরিকল্পিত এ শহরকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। কিন্তু অযাচিত ও অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বিভিন্ন সংস্থা আগ্রাসন করে যাচ্ছে। বিআইডব্লিউটিএ বলেন কিংবা পিপিপি প্রকল্প—এসবের নামে ঢাকা শহরে বিভিন্ন সংস্থা প্রকল্পনির্ভর কাজ করে আমাদের এ অগ্রযাত্রা ব্যাহত করছে।’

গত বছর খাল থেকে বর্জ্য ও পলি অপসারণ কার্যক্রমের সুফল ঢাকাবাসী পেয়েছে উল্লেখ করে মেয়র তাপস বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে গত বছর থেকে আমরা খালগুলো হতে বর্জ্য ও পলি অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছি। এ বছরও আমরা সময়মতো এ কার্যক্রম শুরু করেছি।’

গত বছর কোথায় কোথায় জলাবদ্ধতা হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে অবকাঠামো উন্নয়নে কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে দক্ষিণ সিটি মেয়র বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে পোস্তগোলায় ছয় ফুট ব্যাসার্ধের পাইপ বসানো হচ্ছে। সেটা হয়ে গেলে পোস্তগোলা, জুরাইন কবরস্থান পর্যন্ত পুরো এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন হবে। তবে খাল নিয়ে যে প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল, সেটা এখনো আলোর মুখ দেখেনি। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। এটা আবারও মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য কাজ করছেন বলে জানান তিনি।

দখলমুক্ত করা খাল আবার দখল হচ্ছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মেয়র। তিনি বলেন, ‘আজকে আমরা এসে দেখলাম যে আবারও দখল হচ্ছে। এ দখল, আগ্রাসন থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আবারও (জিরানী খালের ওপর) কয়েকটা সেতু করা হয়েছে, দেয়াল করা হয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক। এগুলো আবার অপসারণ করা হবে।’

এর আগে মেয়র পোস্তগোলায় দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র (এসটিএস) উদ্বোধন, পোস্তগোলা শ্মশানঘাট এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন ও বাসাবো বালুরমাঠ পুকুরে হাঁস অবমুক্ত করেন।

এ সময় করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, সচিব আকরামুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফজলে শামসুল কবির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কাউন্সিলরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন