আলোচনায় বক্তারা বলেন, প্রায় প্রতিদিনই দেশে বিপুল পরিমাণ খাদ্য অপচয় হচ্ছে। একই সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালে বাংলাদেশে বছরে ৭৫ টন খাবার অপচয় করা হয়। তাঁরা আরও জানান, একই সিকির অপর দিকের চিত্র হচ্ছে পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্যের অভাবে ভুগছেন নির্দিষ্ট সংখ্যক জনগণ। উপরিউক্ত দৃশ্যকল্পটি আরও পরিষ্কার হয়ে ওঠে পবিত্র মাহে রমজানে। এ সময় অস্বাস্থ্যকর ও অতিরিক্ত খাবারের কারণে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা আরও বলেন, ‘উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে খাদ্য সমস্যা সব সময় আমাদের জন্য উদ্বেগের বিষয়। অপুষ্টির পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে জনসংখ্যার বেশির ভাগের বাড়ছে হৃদ্‌রোগসহ অন্যান্য রোগের ঝুঁকি। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অবস্থার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে সাধারণ জনগণের সচেতন আচরণ।’

নিজেদের অবস্থান থেকে সামান্য সচেতনতায় খাদ্য অপচয় রোধ ও স্বাস্থ্যকর জীবনপদ্ধতি নির্মাণের পাশাপাশি টেকসই লক্ষ্যমাত্রা-৩ অর্জনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলেও মনে করেন বক্তারা।

গোলটেবিল আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা–১ আসনের সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারী, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ, গণস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অনুপম হোসেন, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন থেকে জাহিদা বেগম, বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা অধিদপ্তর থেকে রেজাউল করিম, হিউম্যান এইড বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মইনুল খোকন, বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির সদস্য ও বিএনও লুব্রিকেন্টসের পরিচালক সালাউদ্দিন ইউসুফ প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, যুব নেতৃত্বাধীন সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ—জেন ল্যাবের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রাতুল দেব।

সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, প্রায় ১৮ কোটি মানুষের দেশে সরকারের ওপর এককভাবে দায়িত্ব প্রেরণ করলে আশানুরূপ ফল পাওয়া কঠিন। বরং সরকার যদি ছোট–বড় বেসরকারি ও যুবসংগঠনের সঙ্গে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করে, স্বল্প সময়ের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষণীয় হয়ে উঠবে।

স্বাভাবিক জীবনে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাদ্য ক্রয় এবং তৈরি করার কারণে খাদ্য অপচয় হচ্ছে উল্লেখ করে গোলটেবিল আলোচনায় সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পরিসংখ্যান মতে ২০২১ সালে বাংলাদেশে বছরে ৭৫ টন খাবার অপচয় করা হয়। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংসদের কাছে খাদ্য অপচয় রোধে কার্যকরী নীতিমালা প্রণয়ন করার অনুরোধ জানান।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি রেজাউল করিম বলেন, ‘আমাদের দেশে যেকোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে বেশ কিছু রেগুলেশন নির্ধারিত থাকে, দুঃখজনকভাবে খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত এ রকম কোনো রেগুলেশন প্রেরণ করা হয়নি।’ তিনি আরও বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় ট্রেনিং ও পরিকল্পনার ভিত্তিতে শিগগিরই এসব বিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।স্বাভাবিক জীবনে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাদ্য ক্রয় এবং তৈরি করার কারণে খাদ্য অপচয় হচ্ছে উল্লেখ করে গোলটেবিল আলোচনায় সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পরিসংখ্যান মতে ২০২১ সালে বাংলাদেশে বছরে ৭৫ টন খাবার অপচয় করা হয়। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংসদের কাছে খাদ্য অপচয় রোধে কার্যকরী নীতিমালা প্রণয়ন করার অনুরোধ জানান।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি রেজাউল করিম বলেন, ‘আমাদের দেশে যেকোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে বেশ কিছু রেগুলেশন নির্ধারিত থাকে, দুঃখজনকভাবে খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত এ রকম কোনো রেগুলেশন প্রেরণ করা হয়নি।’ তিনি আরও বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় ট্রেনিং ও পরিকল্পনার ভিত্তিতে শিগগিরই এসব বিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন