বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সাবেক জেলা কমান্ডার ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সম্পাদকমণ্ডলীর সাবেক সদস্য খন্দকার জহুরুল হক। তিনি সভাপতির বক্তব্যে জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ভাতা ২০ হাজার টাকায় উত্তীর্ণ করায় দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের বক্তারা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কিছু অপূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সেগুলো হলো বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা, সব বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে পরিচয়পত্র দিয়ে সব ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় সম্মানের ব্যবস্থা করা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা। এ ছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নিজ নিজ বসতভিটায় সরকারি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় খরচে মানসম্মত বাসস্থানের ব্যবস্থা করা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য রেশনের ব্যবস্থা করা, বিনা সুদে ৩০ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা, সরকারি খরচে সরকারি/বেসরকারি হাসপাতালে সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, প্রতিটি বিভাগীয় শহরে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করারও দাবি জানানো হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সরকারি খরচে পবিত্র হজ পালনের ব্যবস্থা করা ও ১ ডিসেম্বর ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের ঘোষণা দেওয়ার দাবি ওঠে।

সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বক্তব্য দেন চাঁদপুরের মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, শেরপুরের বাহাদুর গেরিলা, গাজীপুরের আবুল হোসেন ও টাঙ্গাইলের মনি খন্দকার।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন