default-image

ব্যাটারিচালিত যানবাহনের যন্ত্রাংশ বৈধভাবে বিক্রি হচ্ছে। তাহলে ব্যাটারিচালিত যানবাহন রাস্তায় চললে তা অবৈধ হবে কেন? এমন প্রশ্ন তুলেছেন রিকশা, ব্যাটারি রিকশা, ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদ নামের একটি সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
সড়ক-মহাসড়কে পুলিশি হয়রানি, নির্যাতন ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে রিকশা, ব্যাটারি রিকশা, ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদ।

মানববন্ধনে রিকশা, ব্যাটারি রিকশা, ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদের সদস্যসচিব ইমরান হাবিব রুমন বলেন, ১৫ লাখ রিকশায় ৪০০ কোটি টাকার ব্যাটারি প্রয়োজন হয়েছে। ব্যাটারি তৈরি, আমদানি, বিক্রির অনুমতি দিয়েছে সরকার। ট্যাক্স পেয়েছে সরকার, মুনাফা পেয়েছে ব্যবসায়ী। কিন্তু সমস্যায় ভুগছেন শ্রমজীবী চালকেরা। ব্যাটারিচালিত যানবাহনের যন্ত্রাংশ বৈধভাবে বিক্রি হচ্ছে। তাহলে ব্যাটারিচালিত যানবাহন রাস্তায় চললে তা অবৈধ হবে কেন? ইউরোপের বেশির ভাগ দেশে ব্যাটারিচালিত যানবাহনকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সংগঠনটির নেতারা বলেন, নকশা আধুনিকায়ন ও নীতিমালা তৈরি করে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের লাইসেন্স দিতে হবে। বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে রিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা বা যানবাহন ও ইজিবাইক উচ্ছেদ বন্ধ করতে হবে। প্রতিটি সড়ক-মহাসড়কে সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, রিকশা, ইজিবাইকসহ স্বল্পগতির যানবাহনের জন্য আলাদা লেন করতে হবে। বন্ধ করতে হবে পুলিশি হয়রানি ও চাঁদাবাজি।

রিকশা, ব্যাটারি রিকশা, ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান লিপন বলেন, বাংলাদেশের এমন কোনো জনপদ নেই, যেখানে রিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজি বাইকে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করছে না। প্রায় ৫০ লাখ মানুষ এই পেশার সঙ্গে যুক্ত, যার মধ্যে প্রায় ৩২ লাখ রিকশা, রিকশা-ভ্যান এবং ১৫ লাখ মানুষ ব্যাটারিচালিত যানবাহন চালানোর সঙ্গে জড়িত। গ্রাম থেকে রাজধানী সর্বত্র এই তিন চাকার যান্ত্রিক যানবাহন মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন