default-image

ব্লগার ও বিজ্ঞানবিষয়ক লেখক অভিজিৎ রায়কে হত্যা মামলায় ১৬ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেছেন আদালত। ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন।

ওই আদালতের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম সারোয়ার খান প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গতকাল বুধবার রাষ্ট্রপক্ষে মামলায় অভিযুক্ত সব আসামির মৃত্যুদণ্ড চেয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন গোলাম সারোয়ার খান। আদালতে তিনি বলেন, এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২৮ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষে পিপি তাঁর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করার পর আসামিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। গতকাল যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় আজও শুনানির দিন ঠিক করেন আদালত। আজ আসামিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ায় আদালত রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেন।

বিজ্ঞাপন

মামলার নথিপত্র বলছে, ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির কাছে চাপাতির কোপে ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায় নিহত হন। এ সময় তাঁর স্ত্রী রাফিদা আহমেদ আহত হন। অভিজিৎ ও রাফিদা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অমর একুশে গ্রন্থমেলা উপলক্ষে তাঁরা দেশে এসেছিলেন। মেলা থেকে বেরিয়ে বাসায় ফেরার পথে তাঁরা ওই হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় অভিজিৎ রায়ের বাবা অজয় রায় শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট এ মামলা তদন্ত করে। ২০১৯ সালের ১৩ মার্চ মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। অভিজিৎ হত্যা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন আরাফাত রহমান ওরফে শামস ওরফে সাজ্জাদ, মোজাম্মেল হোসেন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার, আবু সিদ্দিক ওরফে সোহেল ওরফে সাকিব, আকরাম হোসেন আবির ওরফে আদনান ও শফিউর রহমান ফারাবী। আসামিদের মধ্যে জিয়াউল ও আকরাম পলাতক। অন্যরা কারাগারে। তাঁদের আজ আদালতে হাজির করা হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন