প্রথম আলোকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নূরজাহান বেগম। তিনি বলেন, একেকজনের জখম একেক রকম। তবে হাতে জখম বেশি হয়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১১৯ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আবু বকর সিদ্দিক পেশায় মুরগি ব্যবসায়ী। কোরবানির মাংস প্রস্তুত করতে গিয়ে তিনি আহত হয়েছেন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। আবু বকর প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঈদের সময় কসাইয়ের চাহিদা রয়েছে। বাড়তি টাকা আয় করতে প্রতিবছর কোরবানির গরুর মাংস প্রস্তুতের কাজ করি। কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত হাত কেটেছে।’

যাত্রাবাড়ীর চায়ের দোকানদার আরিফ হোসেনও ঈদুল আজহার সময় বাড়তি আয়ের আশায় মাংস কাটার কাজ করেন। আজ যাত্রাবাড়ীতে কোরবানির মাংস প্রস্তুত করতে গিয়ে আহত হয়েছেন। পরে তিনি ঢাকা মেডিকেল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন।

আরিফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা তো পেশাদার কসাই নই। ফলে কাজ করতে গিয়ে অসাবধানতার কারণে পা কেটে গেছে।’

কেবল রাজধানী নয়, ঢাকার আশপাশের জেলায় গরুর মাংস প্রস্তুত করতে গিয়ে আহত অনেকে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়েছেন। মুন্সিগঞ্জের রূপক শেখের হাতে জখম হয়েছে। তিনি বলেন, গরুর মাংস প্রস্তুতের সময় ছুরির আঘাতে হাত কেটেছে। পরে রক্তপাত বন্ধ না হওয়ায় দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন