বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এমন অবস্থায় আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কোনো প্রকার সিন্ডিকেটকে অনুমোদন না দিয়ে অন্য ১৩টি কান্ট্রির ন্যায় সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী প্রেরণের এবং ২৫ সিন্ডিকেটের অপচেষ্টার অভিযোগ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনটি করেছে বায়রার সিন্ডিকেটবিরোধী মহাজোট।

সম্মেলনে বায়রার সাবেক মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী হায়দার চৌধুরী মানবসম্পদ রপ্তানি শীর্ষক বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান।

আলী হায়দায় বলেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশ মানবসম্পদ রপ্তানি করে থাকে। সেখানে অন্যান্য দেশের বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সি মানবসম্পদ রপ্তানিতে উন্মুক্তভাবে কাজ করে। আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যদি তা সীমাবদ্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে শ্রমিকদের বিভিন্ন বিড়ম্বনা ও হয়রানিতে পড়তে হবে। বাংলাদেশের কর্মীরা শুধু ‘মানি মেকিং মেশিন’ হিসেবে কাজ করবেন।

আলী হায়দায় আরও বলেন, শ্রমিকদের পছন্দের সুযোগ রাখতে হবে, যেন তাঁরা তাঁদের পছন্দমতো রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিজের কাজ খুঁজে নিতে পারেন। আর শুধু ২৫ জনকে ব্যবসা করতে দেওয়া হলে, তাঁরা এর সুযোগ নিয়ে বিদেশে অর্থ পাচার করবেন। ফলে দেশে শ্রীলঙ্কার মতো অর্থনৈতিক দুরবস্থা তৈরি হতে পারে।

সংগঠনটির নেতা–কর্মীরা বলেন, ‘মালয়েশিয়ার বাজার খুলছে না শুধু সিন্ডিকেটের অপতৎপরতায়। আমরা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের কাছে দাবি জানাই, এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’

সংবাদ সম্মেলনে বায়রার সাবেক সভাপতি মো. আবুল বাশার সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন