বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজধানীর মিরপুরে গৃহকর্মী শিশু খাদিজা ২০১৩ সালে নির্যাতনের শিকার হয়। এখন তিনি এক সন্তানের মা। নির্যাতন নিয়ে মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগের পর যথাযথ প্রতিকার না পাওয়ার প্রেক্ষাপটে ২০১৮ সালে হাইকোর্টে রিট করে সিসিবি ফাউন্ডেশন। রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে বলা হয়, কমিশনের নির্দেশনা সরকারি কোনো কর্মকর্তা বা সংস্থা পালন না করলে প্রয়োজনীয় আদেশের জন্য তা হাইকোর্টের নজরে আনতে পারবে কমিশন।

খাদিজার পক্ষে সিসিবি ফাউন্ডেশনের অভিযোগের ওপর শুনানি শেষে গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রায় দেয়। রায়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষে জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ভান্ডারিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে খাদিজাকে ৫০ হাজার টাকা সাময়িক সাহায্য মঞ্জুরে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়। রায়ে সুপারিশ বিষয়ে গৃহীত ব্যবস্থা তিন মাসের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়।

পরে আইনজীবী আবদুল হালিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘রায়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন খাদিজাকে ৫০ হাজার টাকা সাময়িক সাহায্য মঞ্জুরে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিবকে নির্দেশ দেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ বাস্তবায়নের বিষয়ে ব্যবস্থা তিন মাসের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়। আর কমিশনের নির্দেশনা সরকারি কোনো কর্মকর্তা বা সংস্থা না মানলে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে বিষয়টি আদালতের নজরে আনতে মানবাধিকার কমিশন নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সুপারিশ বাস্তবায়ন বিষয়ে কমিশন কিছু জানায়নি, এমনকি হাইকোর্টে রিট করেনি। খাদিজার মানবাধিকার সুরক্ষায় কমিশন নীরব। তাই সুপারিশ বাস্তবায়নে রিট দায়েরের জন্য কমিশনকে ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। তা না হলে আদালত অবমাননা বা ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হবে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন