default-image

আগামী ৩১ মার্চের পর বাসাবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের পয়োনালার (মল ও মূত্র) সংযোগ জলাশয়ে দেওয়া হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময়ের আগেই এসব সংযোগ বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

আজ রোববার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি। বর্তমানে ঢাকার বেশির ভাগ বাসাবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের পয়োনালার সংযোগ নদী ও খালে গিয়ে পড়ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি এলাকার সব বাসাবাড়ি, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনার পয়োনিষ্কাশন সংযোগ খাল, লেক ও অন্যান্য জলাশয় থেকে বিচ্ছিন্ন করে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা নিজ উদ্যোগে করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই পয়োনিষ্কাশন লাইনের সংযোগ স্টর্ম ওয়াটার ড্রেন, খাল, লেক ও অন্যান্য জলাশয়ে দেওয়া যাবে না।

বিজ্ঞাপন

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, স্টর্ম ওয়াটার ড্রেন (বাসাবাড়ির ব্যবহার করা পানি নির্গমনের পথ) খাল, লেক ও অন্যান্য জলাশয়ে পয়োনিষ্কাশন লাইন দেওয়া আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ। সুষ্ঠু পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে বিভিন্ন বাসাবাড়ি, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনায় সরকারি বিধি অনুযায়ী সেপটিক ট্যাংক ও সোকওয়েল স্থাপন করার বিধান রয়েছে।

এমন বিধান থাকার পরও অনেক বাসাবাড়ি ও স্থাপনার পয়োনিষ্কাশন লাইন সরাসরি উত্তর সিটির বিভিন্ন স্টর্ম ওয়াটার ড্রেন, খাল, লেক ও জলাশয়ে সংযোগ দেওয়া হয়েছে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ এবং স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন ২০০৯ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে সব বাসাবাড়ি, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনার অবৈধ পয়োনিষ্কাশন লাইন নিজ উদ্যোগে বিচ্ছিন্ন করে সেপটিক ট্যাংক ও সোকওয়েল (পয়োবর্জ্য বেরিয়ে যাওয়া ব্যবস্থা) স্থাপন করে পরিবেশসম্মত পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ডিএনসিসির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হলো। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উত্তর সিটির মুখপাত্র ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এ এস এম মামুন প্রথম আলোকে বলেন, পানি সরবরাহ করা ও সুয়ারেজ সংযোগ নিশ্চিত করা ঢাকা ওয়াসার কাজ। মানুষের মল-মূত্রের ব্যবস্থাপনা তাদেরই ঠিক করতে হবে।

বিজ্ঞাপন
রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন