বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে ওই দাবি জানান বায়রার সাবেক মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়াতে কর্মী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু তথাকথিত সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের কারণে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর সমঝোতা স্মারক হওয়ার পরেও মালয়েশিয়াতে কর্মী পাঠানো যায়নি।’

শামীম আহমেদ চৌধুরী অভিযোগ করেন, ২০১৬ সালে বাংলাদেশি ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে লাইসেন্স দিয়ে মালয়েশিয়ায় জনশক্তি পাঠানো শুরু হয়। কিন্তু এতে প্রবাসীদের তেমন একটা সুবিধা হয়নি, উল্টো অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়সহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে।

বায়রার সাবেক মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৩৫ হাজার টাকায় কর্মী পাঠানোর কথা থাকলেও পরে কর্মীদের কাছ থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকার বেশি নেওয়া হয়েছে। গতবারের মতো এবারও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শ্রমিক পাঠানো প্রক্রিয়া শুরু হলে মালয়েশিয়াগামী শ্রমিকদের সেখানে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বায়রার সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবুল বাসার অভিযোগ করেন, ১০টি সিন্ডিকেট থেকে এবার ২৫টি সিন্ডিকেট করার চেষ্টা চলছে। মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে পুলিশের বাধা দেওয়ার ঘটনার নিন্দা জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বায়রার সাবেক সহসভাপতি শাহাদাত হোসেন, আবুল বারাকাত ভূঁইয়া, সাবেক অর্থসচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, রিক্রুটিং এজেন্সি ঐক্য পরিষদের সভাপতি টিপু সুলতান প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন