সরেজমিনে দেখা গেছে, মিরপুর ১১ নম্বরে অবস্থিত নান্নু মার্কেটের আশপাশের সড়কে লোকজন দাঁড়িয়ে গল্প করছেন। এই এলাকায় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল দলকে দেখে তাঁরা ছোটাছুটি করে আড়ালে চলে যান।
টহল দল চলে যাওয়ার পর আবারও তাঁরা রাস্তার ফুটপাত অংশে এসে দাঁড়ান। সেখানে অবস্থানরত বাসিন্দাদের মধ্যে কেন রাস্তায় বেরিয়েছেন জানতে চাইলে রাব্বি নামের এক যুবক বলেন, পরিস্থিতি বোঝার জন্য রাস্তায় এসেছেন।

পরে মিরপুর ৬ নম্বরে চলন্তিকা বস্তি মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, সেখানেও মানুষের জটলা। অলিগলির সড়কে লোকজন নেমে এসেছেন। মূল সড়কে যানবাহন এবং রাস্তায় নামার লোকদের সংখ্যা তুলনামূলক কম।

এরপর মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের আশপাশ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মূল সড়কে চলছে রিকশা ও মোটরসাইকেল। ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়েও বের হয়েছেন কেউ কেউ।

স্টেডিয়ামের দক্ষিণ পাশের সড়কে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। সেখানে একজন পুলিশ সদস্য কয়েকজনকে বের হওয়ার কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
মিরপুরের বিভিন্ন এলাকার সড়কগুলো ঘুরে দেখা গেছে, অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ গণপরিবহনের সংখ্যা অনেক কম। সড়কে রিকশার আধিক্য বেশি। কিছু কিছু মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহন করতে দেখা গেছে।

এর আগে সকাল পৌনে আটটার দিকে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকার সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, অন্যান্য দিনের মতো আজও অনেকে প্রাতর্ভ্রমণে বের হয়েছেন। মোড়ে মোড়ে চিকিৎসাসরঞ্জাম নিয়ে বসেছেন অনেকে। প্রাতর্ভ্রমণে নামা ব্যক্তিদের ব্যক্তিরা সেখানে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করেছেন।

মিরপুর ১১ ও ৬ নম্বর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সকাল সাড়ে নয়টা পর্যন্ত বাজারে মানুষের উপস্থিতি কম। মুজিবর রহমান নামের সত্তরোর্ধ্ব এক ব্যক্তি প্রথম আলোকে বলেন, সকালে মিরপুর ১১ নম্বর বাজারে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন। মানুষ অনেক কম এসেছেন বাজারে। বাসা থেকে বাজারে আসা–যাওয়ার মাঝে তাঁকে কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন