বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মিরপুর ১২ নম্বর এলাকায় বাসচালক ও সহযোগীরা বলছেন, সিটিং ও গেটলক সার্ভিস হয়তো দুই থেকে তিন দিন বন্ধ থাকবে। এরপর আবার আগের নিয়মে গাড়ি চলাচল শুরু হবে। আবার কেউ কেউ বলছেন, সিটিং ও গেটলক সার্ভিস বন্ধ হওয়ার কারণে তাঁরা ভাড়া কম পাচ্ছেন।

মিরপুর সুপার লিংক লিমিটেড নামের বাসটি মিরপুর ইসিবি চত্বর থেকে আজিমপুর রুটে চলাচল করে। বাসটির চালক আবদুল হাদি প্রথম আলোকে বলেন, সব সিটে যাত্রী বসলে যাওয়া–আসায় ১ হাজার ১২০ টাকা ওঠে। কিন্তু সকালে তাঁদের উঠেছে ৮৬০ টাকা। ভাড়া নিয়ে একটু ঝামেলা চলছে বলে জানান তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, মিরপুর ১২ নম্বর থেকে ছেড়ে যাওয়া বিভিন্ন গন্তব্যের বাসগুলোর টিকিট কাউন্টার আগের মতো নেই। যাত্রীদের ডেকে ডেকে গাড়িতে তোলা হচ্ছে। সব আসনে যাত্রী বসার আগেই কিছু বাস এ এলাকা থেকে ছেড়ে যাচ্ছে।

বিকল্প অটো সার্ভিস নামের একটি বাসের চালক মো. আলমগীর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের বাসটি মিরপুর ১২ থেকে মতিঝিল পর্যন্ত চলাচল করে। এই চালকের ভাষ্য, সিটিং সার্ভিস তুলে দেওয়ায় তাঁদের ক্ষতি হয়েছে। যাত্রীরা ভাড়া কম দিচ্ছে।

আলমগীর হোসেন বলেন, আগে মিরপুর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত ভাড়া ছিল ১৫ টাকা। সিটিং সার্ভিস বন্ধ থাকায় যাত্রীরা দিচ্ছে ১৪ টাকা।

সেফটি ৩৬ নামের বাসটি মিরপুর ১২ থেকে আজিমপুর পর্যন্ত চলাচল করে। এ বাসের সহযোগী আবদুল কাদের জানালেন, আগে আজিমপুর পর্যন্ত ৩২ টাকা ছিল। এ রুটে কিলোমিটার হিসাবে এখন ৩০ টাকা দিচ্ছেন যাত্রীরা।

মিরপুর ১২ নম্বর থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত চলাচলকারী শিকড় পরিবহনকেও যাত্রীদের ডেকে গাড়িতে তুলতে দেখা গেছে।

সকাল থেকেই মিরপুর এলাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে যাত্রীসংখ্যা আজ তুলনামূলক কিছু কম বলে জানিয়েছেন চালকেরা।

ঘোষণা অনুযায়ী নতুন নিয়মে বাস চালু হওয়ার পর লাভ-ক্ষতির হিসাব দুদিন পর মিলবে বলেও জানিয়েছেন বাসচালকেরা। ‌‌তাঁদের ধারণা, এরপরই হয়তো নতুন করে সিদ্ধান্ত আসবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন