বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তানের সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে বের হয়ে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গড়ার জন্য সব ধর্মের মানুষের মিলিত রক্তস্রোতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, যে চেতনার ভিত্তিতে দেশ স্বাধীন হয়েছে, আমাদের সমাজ অনেক ক্ষেত্রে তা থেকে দূরে সরে গেছে।’

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে রাষ্ট্র ও সমাজজীবনে প্রতিষ্ঠা করতে এবং পরবর্তী প্রজন্মকে সেই চেতনায় গড়ে তুলতে সংস্কৃতিচর্চার কোনো বিকল্প নেই। আর সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ কবিতাপাঠ ও কাব্যচর্চা মানুষকে পরিশীলিত করে। এ কারণে কবিতাচর্চাকে আরও উৎসাহিত করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, তাঁর নির্দেশে বিটিভির চট্টগ্রাম কেন্দ্রে প্রতি মাসে দুটি কবিতাপাঠের আসর প্রচার হয়। এই সম্প্রচার সারা দেশের মানুষ দেখতে পারেন। পাশাপাশি কেব্‌ল নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও তা দেশব্যাপী দেখা যায়।

আবৃত্তিশিল্পী সংসদের আহ্বায়ক জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব রূপা চক্রবর্তীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, বিটিআরসির চেয়ারম্যান ও কবি শ্যামসুন্দর সিকদার, ‘মঞ্চসারথি’ আতাউর রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ম হামিদ প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন