আম্বিয়ার জামাই (মেয়ের স্বামী) নুর আলম বলেন, তাঁর শাশুড়ি গ্যাসের চুলায় রান্নার জন্য দেশলাই জ্বালাতে যান। এ সময় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আম্বিয়ার চিৎকার শুনে তাঁর ছেলে কাজল আগুন নেভাতে যায়। সে–ও দগ্ধ হয়‌।

গ্যাসের সিলিন্ডারে লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে নুর আলমের ধারণা।

দগ্ধ অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে সকাল পৌনে আটটার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। আবাসিক চিকিৎসক এস এম আইউব হোসেন বলেন, আম্বিয়ার শরীরের ৫০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি চিকিৎসাধীন। কাজলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠানো হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন