default-image

মেট্রোরেল প্রকল্পকে ঘিরে বিকল্প সড়কের পরিকল্পনায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে কারওয়ান বাজার। মেট্রোরেলের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজধানীর যানজট কমাতে এই বিকল্প সড়কগুলোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে সবজি-ফলের আড়ত, চায়ের দোকান, অস্থায়ী হোটেল, কাপড় বিক্রি, কার পার্কিং, মিনিট্রাক স্ট্যান্ড ইত্যাদি কারণে বিকল্প সড়কগুলোর বড় অংশ দখল হয়ে আছে। আর দখলের দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে কারওয়ান বাজার। সংশ্লিষ্টদের ভাষায়, যত ঝামেলা আর বাধা কেবল কারওয়ান বাজারে।

রাজধানীতে বসবাস করেন অথচ কারওয়ান বাজার এলাকার এই সড়কে একবারও পা মাড়াননি—এমন লোক বিরল। সড়কটির নাম ‘কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ’। ১ দশমিক ২ কিলোমিটারের সড়কটি ফার্মগেট থেকে সোজা চলে গেছে কারওয়ান বাজার মোড়ে সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত। দুই পাশ মিলিয়ে ছয় লেনের সড়কটিকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা যানবাহনের চাপ সামলাতে হয়। কারণে-অকারণে এই সড়কে যানজটে আটকে পড়ার হ্যাপা পোহাতে হয় রাজধানীবাসীকে। এখন মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ায় ব্যস্ত সড়কটি দুই পাশ থেকে সরু হয়ে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

তবে শুধু কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ নয়, রাজধানীর যেদিক দিয়ে মেট্রোরেলের প্রকল্প এগোচ্ছে, সেদিকেই রাস্তা সরু হয়ে যানজট বাড়ছে। কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ প্রশাসনের কাছে পরিচিত ‘ভিআইপি সড়ক’ হিসেবে। এসব ভিআইপি সড়কের ওপর যানবাহন চলাচলের চাপ কমাতে বিকল্প সড়কের দিকে নজর দিচ্ছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। যেসব সড়ককে বিকল্প হিসেবে ভাবা হচ্ছে, সেগুলোর বড় অংশ রয়েছে দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে। বিকল্প সড়কে হকারদের দাপট বেশি। হকার ছাড়াও মিনিট্রাক স্ট্যান্ড, কার পার্কিং তো রয়েছেই। এমনকি খোদ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক কার পার্কিং গড়ে তোলা হয়েছে সড়কের জায়গা ঘেরাও করে।

উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ৩৭৭টি পিয়ারের ওপর ৩৭৬টি স্প্যান বসে বিস্তৃত হবে ২০ কিলোমিটারের মেট্রোরেল প্রকল্প। কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ (সিপি)-৩, ৪, ৫, ৬—এই চারটি প্যাকেজে এর কাজ পুরোদমে চলছে। এর মধ্য প্রথম ভাগে প্রায় ১২ কিলোমিটার অংশে রয়েছে আগারগাঁও পর্যন্ত। প্রকল্পের এই অংশের কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু করতে পারবেন বলে আশা করছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আর পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২২ সালে। ২০১৮ সালের শেষ দিকে সিপি–৫ ও ৬-এর কাজ শুরু হয়েছে। সিপি–৫-এর আওতায় আগারগাঁও থেকে সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত ৩ দশমিক ১৯ কিলোমিটার রুট হবে।

default-image

এই রুটে তিনটি স্টেশন থাকবে। এই অংশে থাকবে ১০৬টি পিয়ার। এসব পিয়ার নির্মাণের জন্য আগারগাঁও থেকে সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত সড়কের অনেক অংশে বিভাজক তুলে বসানো হয়েছে কংক্রিটের বেষ্টনী। তাই ফার্মগেট থেকে কারওয়ান বাজার হয়ে একেবারে মতিঝিল পর্যন্ত আট লেনের সড়ক চার লেন হয়ে গেছে। এই চার লেনের সড়ক দিয়ে প্রায় দুই বছর যান চলাচল করবে। তবে ফার্মগেট থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত সড়কে যানবাহনের চাপ বেশি থাকে। এই সড়কের শেষ অংশে সার্ক ফোয়ারার মোড়ে মিলেছে পাঁচটি সড়ক। পাঁচটি সড়কের এই মিলনস্থল থেকে যানবাহনের জট ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের সড়কে। মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজের জন্য যান চলাচল সহজ করতে কারওয়ান বাজারে ফুটপাত তুলে সড়ক প্রশস্ত করা হয়েছে। কিন্তু ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে যানজট কমাতে এই উদ্যোগও কাজে আসছে না বলে জানান ট্রাফিক বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

ট্রাফিক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজের কারণে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সার্ক ফোয়ারা অতিক্রম করত প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ৮০০ প্রাইভেট কার। সে সময় যানজট কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ছিল। কিন্তু প্রকল্পটির কাজের গতি বাড়ায় বর্তমানে প্রতি ঘণ্টায় ৫০০–রও কম যানবাহন গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকা অতিক্রম করতে পারছে। এ কারণে যানজট ছড়িয়ে পড়ছে ঢাকা শহরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়কে। সকাল ও বিকেলের পর এই সংখ্যা আরও কমে যায়।

বিকল্প হিসেবে রয়েছে যেসব সড়ক
ফার্মগেট থেকে কারওয়ান বাজার সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ এবং বাংলামোটর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত সড়কের বিকল্প সড়ক করেছে ট্রাফিক বিভাগ। এ জন্য ট্রাফিক বিভাগকে সহায়তা করেছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। বিকল্প সড়কগুলোর মধ্যে একটি হলো ফার্মগেটের হলিক্রস স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের সড়ক থেকে তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনাল রেলগেট পার হয়ে মেয়র আনিসুল হক সড়ক হয়ে তেজগাঁও সাতরাস্তা মোড়। আরেকটি হলো বাংলামোটরের পশ্চিম পাশ দিয়ে সি আর দত্ত সড়ক থেকে সার্ক ফোয়ারা এবং বসুন্ধরা শপিং সেন্টার থেকে গ্রিন রোড হয়ে ফার্মগেট আনন্দ সিনেমা হলের সামনের সড়ক। এ ছাড়া তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনাল রেলগেট থেকে কারওয়ান বাজার হয়ে পেট্রোবাংলা মোড় এবং তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনাল রেলগেট থেকে টিসিবি ভবনের সামনের সড়ক দুটিও বিকল্প সড়ক করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য হলিক্রস কলেজ থেকে রেলগেট পর্যন্ত সড়কের পাশে থাকা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়েছে। এখানে লেগুনা স্ট্যান্ড সরিয়ে ট্রাক স্ট্যান্ডের পাশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, বিকল্প সড়কের ওপর দিয়ে প্রাইভেট কার বা অন্যান্য যান চলাচল করবে। আর প্রধান সড়কের ওপর দিয়ে গণপরিবহন চলবে। পরীক্ষা মূলকভাবে বিকল্প সড়কের ওপর চলাচল করে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কাল রোববার থেকে এটি কার্যকরের চিন্তাভাবনা রয়েছে।

default-image

এম এ এন সিদ্দিক বলেন, ‘আমরা কারওয়ান বাজারের ভেতরের সড়কগুলো বিকল্প হিসেবে ব্যবহার নিয়ে কাজ করেছি। এখানকার ব্যবসায়ী, বাজার কমিটি, ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। সমস্যা হলো বাজারের লোকজন জানিয়েছেন যে প্রতিদিন রাত আটটার পর থেকে পরদিন সকাল সাতটা–আটটা পর্যন্ত বেচাকেনা হয়। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সবজিসহ পণ্যবাহী ট্রাক আসে। তখন তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তবে সকাল আটটার পর থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত কারওয়ান বাজারের ভেতরের সড়ক বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়ে তাঁরা সহযোগিতা করতে পারবেন। তিনি বলেন, কারওয়ান বাজারের পাশে একটি পদচারী–সেতু নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নিয়ে প্রতিনিয়ত আলোচনা–পর্যালোচনা করে পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে।

বিকল্প সড়কের পথে যত বাধা
হলিক্রস কলেজের সামনে থেকে তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনাল রেলগেটের দূরত্ব মাত্র আধা কিলোমিটারেরও কম। কিন্তু ব্যস্ত এই সড়কে রয়েছে সবজিবিক্রেতা, চায়ের দোকান, ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান, কাপড়ের দোকান, মুচি, চুড়িসহ ১২০টি অবৈধ দোকান। দুটি খাবারের হোটেলের রান্নার চুলা স্থায়ীভাবে বসানো ছিল ফুটপাতের ওপর। গত মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে এসব দোকানকে তিন দিনের মধ্যে সরিয়ে নিতে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু তিন দিন চলে যাওয়ার পরও বিক্রেতারা তাঁদের দোকান সরিয়ে নেননি। এরপর অভিযান চালিয়ে এসব দোকানপাট উচ্ছেদ করে ট্রাফিক বিভাগ। বিজ্ঞান কলেজের সামনে লেগুনা স্ট্যান্ড সরাতে গিয়েও বাধা আসে। প্রথম ছয়টি লেগুনা জব্দ করে ট্রাফিক বিভাগ। এরপর লেগুনা স্ট্যান্ড রেলগেটের পাশে সরে যায়। এখন লাইন দিয়ে সেখান থেকে লেগুনাগুলো যাত্রী তুলে মহাখালী পর্যন্ত চলাচল করছে।

default-image

পশ্চিমের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, রবি থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সড়কে হকাররা বসেন না। শুক্র ও শনিবার কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়। তবে তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনাল রেলগেটের সামনে সড়ক সরু ও কিছুটা বেঁকে গেছে। তাই ফার্মগেট আলরাজী হাসপাতালের সামনের সড়ক বিভাজক তুলে একমুখী যান চললেও তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনাল রেলগেটের সামনে যানজট সৃষ্টি হয়। এই রেলগেটের বাঁক সরিয়ে সড়কটি সোজা করতে রেল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু তারা রাজি হয়নি।

তবে তেজগাঁও ট্রাক টার্মিনাল রেলগেটের সামনে থেকে কারওয়ান বাজার পেট্রোবাংলা এবং টিসিবি ভবনের সড়ক পর্যন্ত দুটি সড়কের প্রায় পুরো অংশ দখল হয়ে আছে। কারওয়ান বাজার কাঁচাবাজারের পাশে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল–৫–এর কার্যালয়ের কার পার্কিং এই সড়কের জায়গার ওপর তৈরি করা হয়েছে। এর পাশে সবজি-ফলের দোকান, রিকশা–ভ্যান স্ট্যান্ড। এখান থেকে পেট্রোবাংলা কার্যালয়ের দিকে যেতে দুপাশে রয়েছে মিনিট্রাক স্ট্যান্ড।

গত ১৭ মার্চ এই সড়ক পরিদর্শনে আসেন ট্রাফিক বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এই দুটি সড়ক ৬০ থেকে ৮০ ফুট প্রস্থ। কিন্তু দখলের কারণে পাশাপাশি দুটি প্রাইভেট কার সহজে চলাচল করতে পারে না। অথচ এই দুটি সড়ক দখলমুক্ত করা গেলে ফার্মগেট থেকে সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত সড়কে যানবাহনের চাপ অনেকটাই কমে যেত।

default-image

ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে কারওয়ান বাজারসংলগ্ন সব সড়কই দখলমুক্ত করে বিকল্প সড়ক হিসেবে ব্যবহার করা হবে। কিন্তু প্রভাবশালীদের কবলে থাকায় কাজটি সহজের বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। পরিস্থিতির সমাধানে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে সরকারের উচ্চপর্যায়ে ১৫ দফা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের (পশ্চিম) উপকমিশনার লিটন কুমার সাহা প্রথম আলোকে বলেন, কারওয়ান বাজারের দুটি বিকল্প সড়কের ওপর দিয়ে যান চলাচল করবে। এরপর এখানকার অন্যান্য সড়ককে বিকল্প সড়ক করা হবে। মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ শেষ হলেও এগুলো বিকল্প সড়ক হিসেবে ব্যবহার করা হবে। ভবিষ্যৎ চিন্তা করে যান চলাচলে বিকল্প সড়কের ব্যবস্থা না নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই।

বিকল্প সড়কে যান চলাচলের জন্য দখলমুক্ত করা হবে বলে জানান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. সফিউল্লা। তিনি বলেন, এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কারওয়ান বাজারে সড়কগুলো দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। খুব শিগগির অভিযান চালানো হবে।

default-image

দুশ্চিন্তার কারণ জলাবদ্ধতা
আসন্ন বর্ষা মৌসুম নিয়ে ভাবছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ ও ট্রাফিক বিভাগ। জুন মাসে বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টি হলে কারওয়ান বাজার ও আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। তখন ফার্মগেট থেকে সার্ক ফোয়ারা মোড় পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে যাবে পুরো রাজধানী ঢাকায়। অন্যদিকে, সার্ক ফোয়ারার সামনে কারওয়ান বাজারে ফুটপাত তুলে দেওয়ায় সড়ক কিছুটা প্রশস্ত হলেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। রাস্তা পারাপারে এটি আরও প্রকট হয়ে গেছে। কারণ, এই চত্বর দিয়ে প্রতি মিনিটে শত শত পথচারী চলাচল করে। এখানে পদচারী–সেতু তৈরির কোনো উপায় বা সুযোগ নেই। আর কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের কারওয়ান বাজারের দুপাশের সড়কের মেট্রোরেলের দুটি স্টেশন নির্মাণ করার কারণে বৃষ্টির পানিও দ্রুত সরবে না।

মেট্রোরেল প্রকল্পের প্রধান পরিকল্পনা প্রকৌশলী (সিপি-৫) মো. সরফরাজ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, বৃষ্টি হলেও প্রকল্পের কাজ থেমে থাকবে না। তবে জলাবদ্ধতা বড় ভাবনার কারণ। এই এলাকার (কারওয়ান বাজার) পানি সরানোর জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ছয়টি পাম্প মেশিন এই সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে স্থাপন করা হবে। বৃষ্টির সময় ২৪ ঘণ্টা চালু করে পানি নিষ্কাশন করা হবে।

default-image
বিজ্ঞাপন
রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন